ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খুলনায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক ও দুই মোটরসাইকেল আরোহীসহ নিহত ৩ আহত ২০ বাসযাত্রী বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফাইল জিম্মি করে অবৈধ লেনদেন: রাজউকের দুই কর্মচারীর ৫০ কোটি টাকার সাম্রাজ্য অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহির ক্লোজড খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৭ সাভারে ওএমএস কালোবাজারির তথ্য সংগ্রহে ৪ সাংবাদিককে হেনস্তা ও জেলে প্রেরণ: এসআই আব্বাসের কৌশল, ওসি সাইফুল আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কালোবাজারি সেলিমকে বাঁচাতে ওসি মাহবুবের তালবাহানা! সাংবাদিকদের ওপর হামলার হুমকি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন নেতৃত্বে নানা সমীকরণ, আলোচনায় শীর্ষ পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে দুই প্রার্থীসহ চারজনকে শোকজ ঠাকুরগাঁও টাংগন নদী হতে প্রভাবশালীদের নেতৃত্বে অবৈধ বালু উত্তোলন: নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশাসন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের পথে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রায় ৮৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো।” তিনি সংঘাত ও বিভেদের পরিবর্তে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। একই সঙ্গে জাতীয় উন্নয়নে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নতমান ও যথাযথ গুণগত মান বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি শিক্ষা খাতে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁর প্রথম সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণের পথে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণের পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। পরে সার্কিট হাউসে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
সফরের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি তাঁর বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে সেখানে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। মাঠের পাশাপাশি আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন ভবনের ছাদেও মানুষের ভিড় দেখা যায়।
দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছিলেন জেলার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে ঘিরে জেলার মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও আগ্রহ ছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেই প্রত্যাশা এখন বাস্তব রূপ পাওয়ার পথে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবেন। উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের দূরবর্তী শহর ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও প্রসার ঘটতে পারে।
ঢাকার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির যাত্রা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচি শেষে রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজ বাসভবনে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম নেন। পরে নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর মধ্য দিয়ে দুই দিনের সরকারি সফরের সমাপ্তি ঘটে। রাষ্ট্রপতির এ সফর এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে জেলার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক ও দুই মোটরসাইকেল আরোহীসহ নিহত ৩ আহত ২০ বাসযাত্রী

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

আপলোড সময় ০৩:৪০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের পথে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রায় ৮৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো।” তিনি সংঘাত ও বিভেদের পরিবর্তে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। একই সঙ্গে জাতীয় উন্নয়নে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নতমান ও যথাযথ গুণগত মান বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি শিক্ষা খাতে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁর প্রথম সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণের পথে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণের পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। পরে সার্কিট হাউসে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
সফরের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি তাঁর বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে সেখানে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। মাঠের পাশাপাশি আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন ভবনের ছাদেও মানুষের ভিড় দেখা যায়।
দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছিলেন জেলার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে ঘিরে জেলার মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও আগ্রহ ছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেই প্রত্যাশা এখন বাস্তব রূপ পাওয়ার পথে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবেন। উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের দূরবর্তী শহর ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও প্রসার ঘটতে পারে।
ঢাকার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির যাত্রা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচি শেষে রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজ বাসভবনে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম নেন। পরে নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর মধ্য দিয়ে দুই দিনের সরকারি সফরের সমাপ্তি ঘটে। রাষ্ট্রপতির এ সফর এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে জেলার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।