ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে তালার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ স্বপদে বহাল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল খুলনায় রেলস্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার সাংবাদিক সুরুজ আলীর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের খুলনায় ৯ সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য: ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ১৮৪, তবু অধরা শীর্ষ গডফাদাররা রাজশাহী ‘ম্যাঙ্গো লাভার’ ই-কমার্স কার্যালয়ে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক আটক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল খুলনায় বাসের টিকিট কালেক্টরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

গ্যাসের মিটার চাই, ন্যায্য বিল চাই, হয়রানিমুক্ত গ্যাস চাই

রাজধানীতে বিভিন্ন অঞ্চলে আবাসিক গ্যাস গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি, অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক বিল আদায় এবং আবাসিক গ্যাসের চুলা সংযোগ স্থলে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা । গ্রাহকরা দাবী করেন বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও প্রতি মাসে ডাবল চুলায় ১ হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, এটা এক ধরনের অন্যায় এবং চাপ, গ্যাস ব্যবহার না করেও বছরের পর বছর বিল দিতে হচ্ছে ।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্রাহকদের সমন্বয়ে ‘সচেতন জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, আমরা গ্যাসের মিটার চাই, ন্যায্য বিল চাই, হয়রানিমুক্ত গ্যাস চাই । বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও গ্রাহকদের প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা এক ধরনের অন্যায় চাপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এছাড়া মিটারবিহীন ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল নির্ধারণ না হওয়ায় গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

এসময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- আবাসিক খাতে দ্রুত প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন, ব্যবহারভিত্তিক ন্যায্য বিল নিশ্চিত করা, গ্যাস না থাকলে বিল না নেওয়া, অবৈধ লাইন ও অপচয় বন্ধের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা এবং হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

বক্তারা বলেন, প্রি-পেইড মিটার চালু হলে, গ্রাহক যেমন সঠিক বিল পরিশোধের সুযোগ পাবেন, তেমনি সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে এবং গ্যাস অপচয় কমবে। আমাদের দাবি খুব ছোট, গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার। মিটার থাকলে আমাদের ৮ টি লাভ । যার মধ্যে রয়েছে, ন্যায্য বিল যতটুকু জ্বালাবো ততটুকু বিল, ১ হাজার ৮০ টাকার ভূতুড়ে বিল নাই। স্বচ্ছ হিসাব মিটারে দেখবো কত টাকা আছে বিল নিয়ে টেনশন শেষ। বকেয়া, জরিমানা নাই টাকা আগে, গ্যাস পরে বিল বাকি রাখার সুযোগ নাই । দেশের সম্পদ বাঁচবে, গ্যাস চুরি বন্ধ হবে, অপচয় কমবে, জাতীয় সম্পদের সাশ্রয় হবে । রিচার্জ হবে সহজে- বিকাশ, নগদ, রকেটে ঘরে বসে লাইনে দাঁড়ানো লাগবে না । জরুরি ব্যালেন্স টাকা শেষ হলেও গ্যাস পাবো রান্না মাঝপথে বন্ধ হবে না। অবৈধ লাইনের হয়রানি নাই, মিটার সরকারি বৈধ সংযোগ হঠাৎ এসে লাইন কাটবে না এবং আমরা সারা বাংলাদেশে দ্রুত গ্যাস মিটার চাই, সরকারের বিপক্ষে না । ভয় নাই বকেয়া নাই, তাই লাইনও কাটবে না রাত আর দিন নাই নিশ্চিন্তে রান্না করা যাবে।

এসময় তারা বলেন, আমাদের একটাই দাবি সরকারি উদ্যোগে আমরা চাই, জনগণের উন্নয়ন দ্রুত হোক। গ্যাস মিটার দিলে গ্রাহক বাঁচবে, দেশের রাজস্ব বাড়বে।

মানববন্ধনে গ্রাহকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সজল আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হৃদয় আহমেদ, মনির হোসেন প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে

গ্যাসের মিটার চাই, ন্যায্য বিল চাই, হয়রানিমুক্ত গ্যাস চাই

আপলোড সময় ০৪:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

রাজধানীতে বিভিন্ন অঞ্চলে আবাসিক গ্যাস গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি, অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক বিল আদায় এবং আবাসিক গ্যাসের চুলা সংযোগ স্থলে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা । গ্রাহকরা দাবী করেন বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও প্রতি মাসে ডাবল চুলায় ১ হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, এটা এক ধরনের অন্যায় এবং চাপ, গ্যাস ব্যবহার না করেও বছরের পর বছর বিল দিতে হচ্ছে ।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্রাহকদের সমন্বয়ে ‘সচেতন জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, আমরা গ্যাসের মিটার চাই, ন্যায্য বিল চাই, হয়রানিমুক্ত গ্যাস চাই । বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও গ্রাহকদের প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা এক ধরনের অন্যায় চাপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এছাড়া মিটারবিহীন ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল নির্ধারণ না হওয়ায় গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

এসময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- আবাসিক খাতে দ্রুত প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন, ব্যবহারভিত্তিক ন্যায্য বিল নিশ্চিত করা, গ্যাস না থাকলে বিল না নেওয়া, অবৈধ লাইন ও অপচয় বন্ধের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা এবং হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

বক্তারা বলেন, প্রি-পেইড মিটার চালু হলে, গ্রাহক যেমন সঠিক বিল পরিশোধের সুযোগ পাবেন, তেমনি সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে এবং গ্যাস অপচয় কমবে। আমাদের দাবি খুব ছোট, গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার। মিটার থাকলে আমাদের ৮ টি লাভ । যার মধ্যে রয়েছে, ন্যায্য বিল যতটুকু জ্বালাবো ততটুকু বিল, ১ হাজার ৮০ টাকার ভূতুড়ে বিল নাই। স্বচ্ছ হিসাব মিটারে দেখবো কত টাকা আছে বিল নিয়ে টেনশন শেষ। বকেয়া, জরিমানা নাই টাকা আগে, গ্যাস পরে বিল বাকি রাখার সুযোগ নাই । দেশের সম্পদ বাঁচবে, গ্যাস চুরি বন্ধ হবে, অপচয় কমবে, জাতীয় সম্পদের সাশ্রয় হবে । রিচার্জ হবে সহজে- বিকাশ, নগদ, রকেটে ঘরে বসে লাইনে দাঁড়ানো লাগবে না । জরুরি ব্যালেন্স টাকা শেষ হলেও গ্যাস পাবো রান্না মাঝপথে বন্ধ হবে না। অবৈধ লাইনের হয়রানি নাই, মিটার সরকারি বৈধ সংযোগ হঠাৎ এসে লাইন কাটবে না এবং আমরা সারা বাংলাদেশে দ্রুত গ্যাস মিটার চাই, সরকারের বিপক্ষে না । ভয় নাই বকেয়া নাই, তাই লাইনও কাটবে না রাত আর দিন নাই নিশ্চিন্তে রান্না করা যাবে।

এসময় তারা বলেন, আমাদের একটাই দাবি সরকারি উদ্যোগে আমরা চাই, জনগণের উন্নয়ন দ্রুত হোক। গ্যাস মিটার দিলে গ্রাহক বাঁচবে, দেশের রাজস্ব বাড়বে।

মানববন্ধনে গ্রাহকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সজল আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হৃদয় আহমেদ, মনির হোসেন প্রমুখ।