এমএসআর, পথ্য ও অন্যান্য ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে নথিপত্র যাচাই
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এমএসআর (কেমিক্যাল), পথ্যসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম সম্প্রতি হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে দুদক টিম ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এমএসআর, পথ্য এবং অন্যান্য পণ্য ক্রয় ও সেবা সংক্রান্ত টেন্ডারের নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে। একই সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়।
এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে স্বাস্থ্যসেবার মান, বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তির বিষয়ে তাদের মতামত গ্রহণ করা হয়। সেবার মানোন্নয়নে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযানে সংগৃহীত টেন্ডার-সংক্রান্ত নথিপত্র ও অন্যান্য রেকর্ডপত্র বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। পর্যালোচনায় অভিযোগের সত্যতা, ক্রয়প্রক্রিয়ায় অনিয়ম কিংবা সরকারি অর্থের অপচয়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।
সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা শেষে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে দুদকের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ও পরবর্তী কার্যক্রমের দিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।
শ্যামলী আখতার, ঠাকুরগাঁও থেকে 












