ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
“ভিউ বাণিজ্য : সামাজিক পুঁজি” ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রায় চারগুণ বন্দি খুলনার সোনাডাঙ্গায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ, গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারি গোপালগঞ্জে নির্মাণাধীন কারখানা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার নেপালে সম্মাননা স্মারক পেলেন সাংবাদিক শামসুদ্দোহা প্রিন্স সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বন্দকাটিতে পত্রবধূ ইয়াবা কারবারে জড়িত থাকায় সন্তানকে তাজ্য পুত্র পিতার নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশী ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচীকে ধর্ষণের অভিযোগে পিবিআই’র হাতে গ্রেফতার ১ চীনের অর্থায়নে মোংলা বন্দরে ২টি অত্যাধুনিক কন্টেইনার জেটি নির্মাণ হচ্ছে —— মতবিনিময় সভায় মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’য়ের লঞ্চিং

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ,

  • খুলনা অফিস
  • আপলোড সময় ০৯:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 8

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার পশ্চিম বানিয়া খমার, বিহার কলোনি মোড় সংলগ্ন সেন্ট জেভিয়ার্স হাইস্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস না নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের বাইরে অনৈতিক ব্যক্তিগতভাবে সময় কাটানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাকারিয়া এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মুনিয়া সুলতানার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের কয়েকটি ছবি ও অন্যান্য তথ্যও তাদের হাতে এসেছে, যেগুলোতে ওই দুই শিক্ষককে বিদ্যালয়ের বাইরে একসঙ্গে দেখা যায় এইরকম দৃশ্য।

অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো শিক্ষক যদি নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে পাঠদান না করে ব্যক্তিগত অনৈতিক কাজে সময় ব্যয় করেন, তাহলে তার প্রভাব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর পড়তে পারে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও তারা জানান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মোঃ জাকারিয়া ও মুনিয়া সুলতানার বক্তব্য জানতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে একাধিকবার ফোন করা হলেও মোঃ জাকারিয়া ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে মুনিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে পরবর্তীতে বক্তব্য দেওয়ার কথা জানান। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তিনি অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দেননি।

এদিকে উক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকার পরিবারের আশপাশের লোক থেকে বিষয়গুলি নিয়ে জানতে গেলে বাহির হয়ে আসে অনেক অজানা চাঞ্চল্যকর তথ্য,

যাহা শিক্ষক সমাজের জন্য দুঃখজনক।

এদিকে একাধিক অভিভাবক প্রতিবেদককে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যক্তিগত জীবন একজনকে ঠকিয়ে আরেকজনকে নিয়ে লীলাখেলার মন্তব্য করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ে তারা নিয়মিত পাঠদান করছেন কি না এবং শিক্ষার্থীরা যথাযথ শিক্ষা পাচ্ছে কি না। অভিযোগগুলো সত্য হলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

“ভিউ বাণিজ্য : সামাজিক পুঁজি”

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ,

আপলোড সময় ০৯:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার পশ্চিম বানিয়া খমার, বিহার কলোনি মোড় সংলগ্ন সেন্ট জেভিয়ার্স হাইস্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস না নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের বাইরে অনৈতিক ব্যক্তিগতভাবে সময় কাটানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জাকারিয়া এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মুনিয়া সুলতানার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের কয়েকটি ছবি ও অন্যান্য তথ্যও তাদের হাতে এসেছে, যেগুলোতে ওই দুই শিক্ষককে বিদ্যালয়ের বাইরে একসঙ্গে দেখা যায় এইরকম দৃশ্য।

অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো শিক্ষক যদি নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে পাঠদান না করে ব্যক্তিগত অনৈতিক কাজে সময় ব্যয় করেন, তাহলে তার প্রভাব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর পড়তে পারে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও তারা জানান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মোঃ জাকারিয়া ও মুনিয়া সুলতানার বক্তব্য জানতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে একাধিকবার ফোন করা হলেও মোঃ জাকারিয়া ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে মুনিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে পরবর্তীতে বক্তব্য দেওয়ার কথা জানান। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তিনি অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দেননি।

এদিকে উক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকার পরিবারের আশপাশের লোক থেকে বিষয়গুলি নিয়ে জানতে গেলে বাহির হয়ে আসে অনেক অজানা চাঞ্চল্যকর তথ্য,

যাহা শিক্ষক সমাজের জন্য দুঃখজনক।

এদিকে একাধিক অভিভাবক প্রতিবেদককে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যক্তিগত জীবন একজনকে ঠকিয়ে আরেকজনকে নিয়ে লীলাখেলার মন্তব্য করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ে তারা নিয়মিত পাঠদান করছেন কি না এবং শিক্ষার্থীরা যথাযথ শিক্ষা পাচ্ছে কি না। অভিযোগগুলো সত্য হলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।