ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঘুষ চাওয়া হয়নি, ভুলের দায় আমাদের’—স্বাস্থ্যখাত নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য আদ-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের শাপলা চত্বরের গণহত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে গাউছিয়ায় রাঁধুনী রেস্তোরাঁয় বাসি-পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ স্বাস্থ্যঝুকিতে সাধারণ ক্রেতারা  আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে তালার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ স্বপদে বহাল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল খুলনায় রেলস্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার সাংবাদিক সুরুজ আলীর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের খুলনায় ৯ সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য: ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ১৮৪, তবু অধরা শীর্ষ গডফাদাররা

রাজবাড়ীতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমিতে খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অবৈধ ঘর নির্মাণ

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপদ বিভাগের গোয়ালন্দ মোড়ের জমিতে ৬ নং খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন সম্প্রতি অবৈধ ঘর নির্মাণ করেছে। ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। যে চেয়ারম্যান অবৈধ ঘর উচ্ছেদের জন্য খানখানাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শালিশ বিচারে রায় দেয়। তিনিই এখন নিজেই অবৈধভাবে জমি দখল নিয়ে ঘর নির্মাণ করছে। গোয়ালন্দ মোড়ে সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মোঃ শামছুল হক- এর জমির উপর ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয় বাচ্চু মোল্লার লেদের নিকট। চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন বাচ্চু মোল্লাকে লাঞ্চিত করে উচ্ছেদ করে। উচ্ছেদের পর ইকবাল হোসেন মিয়া পিছনে তার জমি সাড়ে ৪ শতাংশ জমি মালিক হয়ে সড়ক বিভাগের জমি রাতের অন্ধকারে দখল করে নিয়েছে। এলাকার ব্যবসায়ী লোকমান জানান, খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের সরকারী জায়গার উপর অবৈধভাবে টিনের ঘর তৈরী করে ভাড়া দেওয়া চেষ্টা করছে। খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন তার জমির সামনে সরকারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমির উপর কোন প্রকার লীজ না নিয়েই ঘর তোলার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপর বিভিন্ন ব্যাক্তি এলাকায় বেশকিছু ঘর নির্মাণ করেছে। রাজবাড়ী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কুমারেশ বিশ^াস জানান, গোয়ালন্দ মোড়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমির উপর অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের সংবাদ পেয়ে গত ২৬ মে খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মিয়াকে সরকারী জমি থেকে ঘর উচ্ছেদ করার চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১লা জুন পর্যন্ত চেয়ারম্যান সরকারী জমি উপর তোলা ঘর অপসারণ করে নি। এলাকাবাসী ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ঘর উচ্ছেদের দাবী করেছে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ চাওয়া হয়নি, ভুলের দায় আমাদের’—স্বাস্থ্যখাত নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য আদ-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের

রাজবাড়ীতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমিতে খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অবৈধ ঘর নির্মাণ

আপলোড সময় ০৭:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপদ বিভাগের গোয়ালন্দ মোড়ের জমিতে ৬ নং খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন সম্প্রতি অবৈধ ঘর নির্মাণ করেছে। ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। যে চেয়ারম্যান অবৈধ ঘর উচ্ছেদের জন্য খানখানাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শালিশ বিচারে রায় দেয়। তিনিই এখন নিজেই অবৈধভাবে জমি দখল নিয়ে ঘর নির্মাণ করছে। গোয়ালন্দ মোড়ে সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মোঃ শামছুল হক- এর জমির উপর ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয় বাচ্চু মোল্লার লেদের নিকট। চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন বাচ্চু মোল্লাকে লাঞ্চিত করে উচ্ছেদ করে। উচ্ছেদের পর ইকবাল হোসেন মিয়া পিছনে তার জমি সাড়ে ৪ শতাংশ জমি মালিক হয়ে সড়ক বিভাগের জমি রাতের অন্ধকারে দখল করে নিয়েছে। এলাকার ব্যবসায়ী লোকমান জানান, খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের সরকারী জায়গার উপর অবৈধভাবে টিনের ঘর তৈরী করে ভাড়া দেওয়া চেষ্টা করছে। খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন তার জমির সামনে সরকারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমির উপর কোন প্রকার লীজ না নিয়েই ঘর তোলার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপর বিভিন্ন ব্যাক্তি এলাকায় বেশকিছু ঘর নির্মাণ করেছে। রাজবাড়ী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কুমারেশ বিশ^াস জানান, গোয়ালন্দ মোড়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমির উপর অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের সংবাদ পেয়ে গত ২৬ মে খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মিয়াকে সরকারী জমি থেকে ঘর উচ্ছেদ করার চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১লা জুন পর্যন্ত চেয়ারম্যান সরকারী জমি উপর তোলা ঘর অপসারণ করে নি। এলাকাবাসী ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ঘর উচ্ছেদের দাবী করেছে।