ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব ও উন্নয়নমুখী দাবি খুলনা চেম্বারের তালায় জলবায়ু অভিযোজন নেটওয়ার্কের অর্ধবার্ষিক সভা মশার পেছনে কোটি টাকা: বিদেশ সফরে ব্যয়, সেই অর্থে কত ওষুধ ও স্প্রে মেশিন কেনা যেত? কুয়েটে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বিচার নাকি হয়রানি? শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ঠাকুরগাঁও জেলার মোটরসাইকেল চুরির হোতা আ.লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আটক জাল সনদের ৪৭১ জন ১০ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন! সরকারের ক্ষতি কত কোটি টাকা, কবে হবে অর্থ উদ্ধার—প্রশ্ন জনমনে খুলনার কয়রায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে খুলনায় সোলার পার্ক সচলের দাবিতে ৬ দফা সুপারিশ অবশেষে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি

বাজেটে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ কংগ্রেসের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে জনকল্যাণমুখী, কর্মসংস্থানবান্ধব এবং টেকসই উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে ১৫ দফা গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। দলের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন, দুর্নীতি দমন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত খাতগুলোতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের ১৫ দফা বাজেট প্রস্তাবনা:
১. কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়ন
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন।
ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (এসএমই)-এ সহজ শর্তে ঋণ প্রদান।
যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ।
নতুন শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি।

২. কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা
কৃষি ভর্তুকি বৃদ্ধি।
কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ তহবিল গঠন।
কোল্ড স্টোরেজ ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ।
সেচ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিশেষ সহায়তা।

৩. শিক্ষা খাত
সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন।
গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ বরাদ্দ।
কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার সম্প্রসারণ।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি বৃদ্ধি।

৪. স্বাস্থ্যসেবা
উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা।
বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ওষুধ সরবরাহ।
মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য কর্মসূচি জোরদার।
চিকিৎসা গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

৫. গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো
গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার।
হাওর, চর ও পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ যোগাযোগ প্রকল্প।
কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য সংযোগ সড়ক উন্নয়ন।

৬. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধি।
হতদরিদ্র পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা সম্প্রসারণ।
শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার ভাতা চালুর উদ্যোগ।

৭. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ।
বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

৮. তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি
ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা।
প্রযুক্তি পার্ক সম্প্রসারণ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সফটওয়্যার শিল্পে বিনিয়োগ।

৯. দুর্নীতি দমন ও সুশাসন
অর্থ পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা।
ই-গভর্ন্যান্স সম্প্রসারণ।
সরকারি সেবার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন।

১০. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
নদী খনন ও নদী রক্ষা প্রকল্প।
উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার।
বন সংরক্ষণ ও ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

১১. আইন ও বিচার বিভাগ
বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি।
আদালত ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন।
লিগ্যাল এইড তহবিল বৃদ্ধি।
বিচারাধীন মামলার জট নিরসনে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ।

১২. রাজনৈতিক দল ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ তহবিল।
রাজনৈতিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে বিশেষ বরাদ্দ।

১৩. প্রবাসী কল্যাণ
বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।
কম খরচে বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।
প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল গঠন।

১৪. নারী ও যুব উন্নয়ন
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ।
যুব দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ।
কর্মজীবী নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা বৃদ্ধি।

১৫. খেলাধুলা ও সংস্কৃতি
উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন।
তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

বিবৃতিতে এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, “দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার বিভাগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ পাচার রোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা জরুরি।

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আসন্ন জাতীয় বাজেট হবে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও কল্যাণভিত্তিক—এটাই বাংলাদেশ কংগ্রেসের আশা করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

বাজেটে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ কংগ্রেসের

আপডেট সময় ১২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে জনকল্যাণমুখী, কর্মসংস্থানবান্ধব এবং টেকসই উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে ১৫ দফা গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। দলের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন, দুর্নীতি দমন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত খাতগুলোতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের ১৫ দফা বাজেট প্রস্তাবনা:
১. কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়ন
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন।
ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (এসএমই)-এ সহজ শর্তে ঋণ প্রদান।
যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ।
নতুন শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি।

২. কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা
কৃষি ভর্তুকি বৃদ্ধি।
কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ তহবিল গঠন।
কোল্ড স্টোরেজ ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ।
সেচ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিশেষ সহায়তা।

৩. শিক্ষা খাত
সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন।
গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ বরাদ্দ।
কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার সম্প্রসারণ।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি বৃদ্ধি।

৪. স্বাস্থ্যসেবা
উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা।
বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ওষুধ সরবরাহ।
মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য কর্মসূচি জোরদার।
চিকিৎসা গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

৫. গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো
গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার।
হাওর, চর ও পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ যোগাযোগ প্রকল্প।
কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য সংযোগ সড়ক উন্নয়ন।

৬. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধি।
হতদরিদ্র পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা সম্প্রসারণ।
শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার ভাতা চালুর উদ্যোগ।

৭. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ।
বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

৮. তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি
ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা।
প্রযুক্তি পার্ক সম্প্রসারণ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সফটওয়্যার শিল্পে বিনিয়োগ।

৯. দুর্নীতি দমন ও সুশাসন
অর্থ পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা।
ই-গভর্ন্যান্স সম্প্রসারণ।
সরকারি সেবার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন।

১০. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
নদী খনন ও নদী রক্ষা প্রকল্প।
উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার।
বন সংরক্ষণ ও ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

১১. আইন ও বিচার বিভাগ
বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি।
আদালত ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন।
লিগ্যাল এইড তহবিল বৃদ্ধি।
বিচারাধীন মামলার জট নিরসনে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ।

১২. রাজনৈতিক দল ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ তহবিল।
রাজনৈতিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে বিশেষ বরাদ্দ।

১৩. প্রবাসী কল্যাণ
বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।
কম খরচে বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।
প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল গঠন।

১৪. নারী ও যুব উন্নয়ন
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ।
যুব দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ।
কর্মজীবী নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা বৃদ্ধি।

১৫. খেলাধুলা ও সংস্কৃতি
উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন।
তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

বিবৃতিতে এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, “দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার বিভাগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ পাচার রোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা জরুরি।

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আসন্ন জাতীয় বাজেট হবে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও কল্যাণভিত্তিক—এটাই বাংলাদেশ কংগ্রেসের আশা করে।