ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব ও উন্নয়নমুখী দাবি খুলনা চেম্বারের তালায় জলবায়ু অভিযোজন নেটওয়ার্কের অর্ধবার্ষিক সভা মশার পেছনে কোটি টাকা: বিদেশ সফরে ব্যয়, সেই অর্থে কত ওষুধ ও স্প্রে মেশিন কেনা যেত? কুয়েটে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বিচার নাকি হয়রানি? শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ঠাকুরগাঁও জেলার মোটরসাইকেল চুরির হোতা আ.লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আটক জাল সনদের ৪৭১ জন ১০ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন! সরকারের ক্ষতি কত কোটি টাকা, কবে হবে অর্থ উদ্ধার—প্রশ্ন জনমনে খুলনার কয়রায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে খুলনায় সোলার পার্ক সচলের দাবিতে ৬ দফা সুপারিশ অবশেষে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি

খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের নেতৃত্বে বিশেষ যৌথ অভিযানের মধ্যেই দুর্বৃত্তের গুলিতে রফিক গাজী ওরফে ঢাকাইয়া রফিক (৪৫) নামে বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত বিএনপি কমী কর্মী ঢাকাইয়া রফিক মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকার রতন গাজীর ছেলে। তিনি পেশায় পাথর ব্যবসায়ী ছিলেন। রফিক গাজীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি নিশ্চিত করেন লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রফিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসা ছিল। এ সময় মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এরমধ্যে একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয় জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাবুর রহমান জানান, নিহত রফিক গাজী জলমা ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে থাকতেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাস দমনে খুলনা মহানগরীতে পুলিশের যৌথ অভিযান চলছে। তার মধ্যে সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করে মানুষকে গুলি করে হত্যা করছে! এটা কি অভিযান না অন্য কিছু।

তাদের অভিযোগ পুলিশের বিশেষ অভিযান চললেও এখনো শীর্ষ কোনো সন্ত্রাসী ধরা পড়েনি।

লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, রফিক গাজী ওরফে ঢাকাইয়া রফিকের তলপেটে একটি গুলি লেগেছে। সম্ভবত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলের আশপাশের সব দোকান বন্ধ। হত্যাকান্ড সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইছে না। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:৪৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের নেতৃত্বে বিশেষ যৌথ অভিযানের মধ্যেই দুর্বৃত্তের গুলিতে রফিক গাজী ওরফে ঢাকাইয়া রফিক (৪৫) নামে বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত বিএনপি কমী কর্মী ঢাকাইয়া রফিক মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকার রতন গাজীর ছেলে। তিনি পেশায় পাথর ব্যবসায়ী ছিলেন। রফিক গাজীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি নিশ্চিত করেন লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রফিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসা ছিল। এ সময় মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এরমধ্যে একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয় জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাবুর রহমান জানান, নিহত রফিক গাজী জলমা ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে থাকতেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাস দমনে খুলনা মহানগরীতে পুলিশের যৌথ অভিযান চলছে। তার মধ্যে সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করে মানুষকে গুলি করে হত্যা করছে! এটা কি অভিযান না অন্য কিছু।

তাদের অভিযোগ পুলিশের বিশেষ অভিযান চললেও এখনো শীর্ষ কোনো সন্ত্রাসী ধরা পড়েনি।

লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, রফিক গাজী ওরফে ঢাকাইয়া রফিকের তলপেটে একটি গুলি লেগেছে। সম্ভবত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলের আশপাশের সব দোকান বন্ধ। হত্যাকান্ড সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইছে না। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।