খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের প্রধান শুটার মো. পারভেজ গাজী ওরফে পারভেজকে (৩২) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর লবণচরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার পারভেজ নগরীর লবণচরা থানার মোক্তার হোসেন রোডের ৭ নম্বর গলির নূর ইসলাম গাজী ওরফে নূরু ইসলামের ছেলে।
নগরীর লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অভিযান চালিয়ে নগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের প্রধান শুটার মো. পারভেজ গাজী ওরফে পারভেজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার পারভেজ বহু মামলার আসামি। সে সাধারণ মানুষের কাছে ভয়ঙ্কর ত্রাস হিসাবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, পারভেজ গত ২১ মে দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে মোটরসাইকেলে এসে নগরীর লবণচরা থানার পুটিমারী বাজারের পাশর্^বর্তী স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এরপর সে ঐ অফিসে থাকা যুবদল নেতা এবং পুটিমারী বাজার কমিটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ ও জাহিদকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এই গুলি মাসুমের বাঁ পায়ের ঊরু ও জাহিদের ডান হাতে বিদ্ধ হয়। ঘটনার পর পারভেজ দ্রুত মোটরসাইকেলে স্থান ত্যাগ করে। এছাড়া সে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম গাজী হত্যা মামলারও সন্দেহভাজন একজন আসামি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) তথ্য অনুযায়ী, পারভেজ বর্তমানে খুলনা মহানগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের প্রধান শুটার হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে লবণচরা, খুলনা সদর ও খালিশপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া লবণচরা থানায় দায়ের হওয়া কয়েকটি হত্যা চেষ্টা, গুরুতর জখম, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলারও সে আসামি। তার নামে থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) রয়েছে।
গ্রেফতারের পর পারভেজকে লবণচরা থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে ।
লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী পারভেজকে গ্রেফতারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে সস্তি ফিরে এসেছে। এছাড়া তার গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা অফিস 






















