ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পাটকেলঘাটা বাজারে মাংসের খাটিয়া অরক্ষিত রাখার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার ঠাকুরগাঁওয়ে ধানক্ষেত থেকে তাঁতি দল নেতার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আমার কোনো দুর্নাম নেই, তারপরও ভাইরাল করা হচ্ছে—এটা মানহানিকর’: রাজারহাটের ইউএনও তানজিলা তাসনিম আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদে তেজগাঁও প্রেসক্লাবের ক্ষোভ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তা বদলি যাত্রাবাড়ীতে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের মুঠোফোন নেওয়ার অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ধামরাই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার তোড়জোড়, আবদুল আলিমকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ: জবাবদিহির মুখে বিএনপি নেতা? পরকীয়া ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ ‎তালা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ১নারী কর্মীর স্ট্যান্ড রিলিজ : আদেশ বাতিল করতে টাকার ব্যাগ নিয়ে দৌড়ঝাপ নওগাঁয় শালিকাকে বিয়ের ঘটনায় আইনজীবী সহকারী মাসুদ রানাকে সেরেস্তা থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটকেলঘাটা বাজারে মাংসের খাটিয়া অরক্ষিত রাখার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

আপলোড সময় ১০:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।