ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে তালার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ স্বপদে বহাল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল খুলনায় রেলস্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার সাংবাদিক সুরুজ আলীর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের খুলনায় ৯ সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য: ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ১৮৪, তবু অধরা শীর্ষ গডফাদাররা রাজশাহী ‘ম্যাঙ্গো লাভার’ ই-কমার্স কার্যালয়ে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক আটক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল খুলনায় বাসের টিকিট কালেক্টরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

আপলোড সময় ১০:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।