সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জৈন্তাপুর জি আর এ মুন্সি হিসাবে কর্মরত শাহীন আসামীকে পরিবেশে অধিদপ্তরের মামলায় ছাড়িয়ে দেওয়ার নাম করে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে আসামীকে ছাড়িয়ে দেন। আসামীদের ভূল বুঝিয়ে নন ভেইলেবল সেকশানের মামলা বলে আসামীদের গার্ডিয়ানদের প্ররোচিত করা হয়। পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে ম্যাজিস্ট্রেটের বাসায় পাঠিয়ে জামিনের ব্যবস্তা করা হয় এবং লকাপের গাড়ি আটকে রাখা হয় রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত। নাম না বলার স্বার্থে গতকাল দায়িত্বরত কাস্টরীর পুলিশ বলেন আমি এসব জানিনা তবে কাস্টিরর কি সমস্যা হয়েছে বলে কাস্টরীর গাড়ি রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত আটকেছিল।আসামীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ টাকা রোজী করি জেল কাটার জন্য নাকি? যেভাবে আসছে ঐ ভাবে এরকম কিছুতো যাবেই। ভাগবাটোয়ারায় কম পেয়ে একজন অভিযোগ কারী বলেন, এটা শাহীন মুন্সী হিসাবে ঠিক করে নাই, এখানে আমাদের কোন হাত নাই বা আমরা বিষয়টি জানিনা। তবে এখন যা শুনলাম তারজন্য শাহীনের শাস্তি হওয়া দরকার কারন একজন মুন্সির দায়িত্ব নিয়ে এমন করাটা সম্পূর্ণ অন্যায়। অভিযোগকারী আরো বলেন, শাহীন প্রথমে ২০ হাজার, পরবর্তীতে ৩০ হাজার করে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে সে নাকি বিচারক কে ৫০ দিয়েছে এবং বাকী ১০ হাজার তারা ভাগবাটোয়ারা করেছে। বাস্তবে বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সাংবাদিককে জানান এই অভিযোগকারী ভূক্তভোগী।
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেট জৈন্তাপুর জিআরএ মুন্সি শাহীনের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
-
সিলেট ব্যুরো - আপডেট সময় ০১:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- ৭ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ


























