ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে তালার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ স্বপদে বহাল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল খুলনায় রেলস্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার সাংবাদিক সুরুজ আলীর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের খুলনায় ৯ সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য: ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ১৮৪, তবু অধরা শীর্ষ গডফাদাররা রাজশাহী ‘ম্যাঙ্গো লাভার’ ই-কমার্স কার্যালয়ে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক আটক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল খুলনায় বাসের টিকিট কালেক্টরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

জাল সনদে চাকরি: ৪৭১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে নোটিশ

জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তে বিভিন্ন জেলায় জাল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন।
ঘটনার বিস্তারিত
মোট ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৬৩ জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্তদের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের চাকরি বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “জাল সনদে চাকরি নেওয়া কোনো শিক্ষককে ছাড় দেওয়া হবে না। এটি শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত। আমরা ধাপে ধাপে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
কী ধরনের জালিয়াতি?
তদন্তে দেখা গেছে, অনেকে জাল বিএ, এমএ, বিএড, এমএড সনদসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও বোর্ডের সিলমোহর জাল করে সনদ তৈরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষা খাতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, জাল সনদধারী শিক্ষকদের কারণে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে এবং সৎ ও যোগ্য শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকা আরও যাচাই-বাছাই চলছে। পরবর্তী ধাপে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
শিক্ষা খাত থেকে জালিয়াতি উচ্ছেদ করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে

জাল সনদে চাকরি: ৪৭১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে নোটিশ

আপলোড সময় ১১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তে বিভিন্ন জেলায় জাল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন।
ঘটনার বিস্তারিত
মোট ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৬৩ জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্তদের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের চাকরি বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “জাল সনদে চাকরি নেওয়া কোনো শিক্ষককে ছাড় দেওয়া হবে না। এটি শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত। আমরা ধাপে ধাপে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
কী ধরনের জালিয়াতি?
তদন্তে দেখা গেছে, অনেকে জাল বিএ, এমএ, বিএড, এমএড সনদসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও বোর্ডের সিলমোহর জাল করে সনদ তৈরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষা খাতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, জাল সনদধারী শিক্ষকদের কারণে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে এবং সৎ ও যোগ্য শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকা আরও যাচাই-বাছাই চলছে। পরবর্তী ধাপে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
শিক্ষা খাত থেকে জালিয়াতি উচ্ছেদ করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।