ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব ও উন্নয়নমুখী দাবি খুলনা চেম্বারের তালায় জলবায়ু অভিযোজন নেটওয়ার্কের অর্ধবার্ষিক সভা মশার পেছনে কোটি টাকা: বিদেশ সফরে ব্যয়, সেই অর্থে কত ওষুধ ও স্প্রে মেশিন কেনা যেত? কুয়েটে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বিচার নাকি হয়রানি? শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ঠাকুরগাঁও জেলার মোটরসাইকেল চুরির হোতা আ.লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আটক জাল সনদের ৪৭১ জন ১০ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন! সরকারের ক্ষতি কত কোটি টাকা, কবে হবে অর্থ উদ্ধার—প্রশ্ন জনমনে খুলনার কয়রায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে খুলনায় সোলার পার্ক সচলের দাবিতে ৬ দফা সুপারিশ অবশেষে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি

জাল সনদে চাকরি: ৪৭১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে নোটিশ

জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তে বিভিন্ন জেলায় জাল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন।
ঘটনার বিস্তারিত
মোট ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৬৩ জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্তদের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের চাকরি বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “জাল সনদে চাকরি নেওয়া কোনো শিক্ষককে ছাড় দেওয়া হবে না। এটি শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত। আমরা ধাপে ধাপে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
কী ধরনের জালিয়াতি?
তদন্তে দেখা গেছে, অনেকে জাল বিএ, এমএ, বিএড, এমএড সনদসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও বোর্ডের সিলমোহর জাল করে সনদ তৈরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষা খাতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, জাল সনদধারী শিক্ষকদের কারণে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে এবং সৎ ও যোগ্য শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকা আরও যাচাই-বাছাই চলছে। পরবর্তী ধাপে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
শিক্ষা খাত থেকে জালিয়াতি উচ্ছেদ করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

জাল সনদে চাকরি: ৪৭১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে নোটিশ

আপডেট সময় ১১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ইতোমধ্যে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তে বিভিন্ন জেলায় জাল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন।
ঘটনার বিস্তারিত
মোট ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৬৩ জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্তদের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের চাকরি বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “জাল সনদে চাকরি নেওয়া কোনো শিক্ষককে ছাড় দেওয়া হবে না। এটি শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের সাথে জড়িত। আমরা ধাপে ধাপে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
কী ধরনের জালিয়াতি?
তদন্তে দেখা গেছে, অনেকে জাল বিএ, এমএ, বিএড, এমএড সনদসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও বোর্ডের সিলমোহর জাল করে সনদ তৈরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষা খাতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, জাল সনদধারী শিক্ষকদের কারণে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে এবং সৎ ও যোগ্য শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকা আরও যাচাই-বাছাই চলছে। পরবর্তী ধাপে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
শিক্ষা খাত থেকে জালিয়াতি উচ্ছেদ করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।