ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শান্তিগঞ্জে পিএফজি ওয়াইপিএজির সভা ‎ ভাঙ্গুড়ায় ব্রাক সিডের উদ্যোগে আধুনিক উৎপাদন কলাকৌশল প্রয়োগে হাইব্রিড ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে লেগুনার ধাক্কায় নারী নিহত পাবনার ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকিট বাণিজ্যে ১০ বছরে অতিরিক্ত অর্ধকোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ ইউএনওকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাতক্ষীরার তালায় স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিবাহে নিষেধাজ্ঞা জুলাই হত্যা মামলায় কারাগারে সাতক্ষীরার সাবেক এমপি মুজিবুর সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের চাপায় শিশু নিহত ‎ ৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিগঞ্জে পিএফজি ওয়াইপিএজির সভা ‎

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘জাল দলিল তৈরির চক্র’ নিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ১০:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।