ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম লিটনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্যের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নারগুন ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদিকা মোছা. সুরমা বেগম, রসনা বেগম, মরিয়ম বেগম, মো. রুরেল, ৫নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মো. আশরাফুল আলমসহ স্থানীয় নারী-পুরুষ।
বক্তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা ইউপি সদস্যের দায়িত্ব। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্ব্যবহার ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতেই তারা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন।
এলাকাবাসী জানান, প্রথমে তারা প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর বাসভবনের সামনে মানববন্ধন করেন। পরে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। শেষে ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তায় সমাবেশ করে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। তাদের মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন যে, তারা ইউপি সদস্যের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম লিটনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি কয় টাকার মালিক, কীভাবে চলেন, আপনাকে দেখতেছি।”
এদিকে, নারগুন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান এলাকায় ফিরলে তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কাছেও স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযুক্ত ইউপি সদস্য অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন কি না সে বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঠাকুরগাঁওয় প্রতিনিধি 

























