ঠাকুরগাঁও জেলার স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পৃথকভাবে এবং ভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের এই জেলার চিকিৎসাসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপির উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর ফলে জেলার স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা ও রোগীসেবার সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও জেলার অনেক রোগীকে রাজধানী ঢাকাসহ রংপুর ও অন্যান্য জেলায় যেতে হয়। ৬০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীতকরণ এবং পৃথকভাবে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হলে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার চাপ সামলানো এবং রোগীদের ভোগান্তি কমাতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলার স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও সক্ষমতা বাড়ানো। হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি এবং পৃথক স্থানে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তকে তাই জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সিদ্ধান্তটি দ্রুত বাস্তবায়িত হলে শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্যও উন্নত চিকিৎসাসেবার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঘোষিত উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন জেলার মানুষ।
শ্যামলী আখতার, ঠাকুরগাঁও থেকে 

























