ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও United Nations Development Programme-এর আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (এডিসিবি) – ৩য় পর্যায়” প্রকল্পের আওতায় আজ শনিবার (১৩ জুন) খুলনার একটি হোটেলে “গ্রাম আদালতের পটগান” পরিবেশিত হয়েছে।
বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন ও পরিবেশনায় ছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘রূপান্তর’। পটগানের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, সুবিধা, বিচারপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা আগ্রহের সঙ্গে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (এডিসিবি) – ৩য় পর্যায়” প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া আখতার জাহান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গ্রাম আদালত জনগণের দোরগোড়ায় সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ আব্দুল জলিল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, গ্রাম আদালত সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা ও সাফল্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণযোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক প্রচারণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পটগানের মতো লোকজ সাংস্কৃতিক মাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রিতা খুলনা থেকে 























