ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে গল্লামারী ব্রিজ: সফল খুলনাবাসী খুলনা খাদ্য অধিদপ্তরে ওজনে কারসাজি ও বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ: সরকারি চাল যাচ্ছে কোথায়? সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিতের দাবি সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তি-ব্যঙ্গচিত্র,২৭ মামলার আসামি কামাল প্রধান এখনো প্রকাশ্যে খুলনা ডিবি পুলিশের হাতে বি কোম্পানির সক্রিয় ৫ সন্ত্রাসী গ্রেফতার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৫ টি ঘর বিক্রি, পরিত্যক্ত ঘরে জুয়া-মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ক্ষমতার পালাবদলে নাম বদলে গেছে সিলেট চন্ডীপুল গোলচত্বর সহ অন্যান্য স্থাপনার বিয়ের সাজ না খুলতেই মৃত্যুর ডাক: নববধূকে রেখে চিরবিদায়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা খুলনায় আন্তর্জাতিকমানের আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার (গমের স্টিল সাইলো) নির্মাণ সম্পন্ন খুলনার বটিয়াঘাটার খেয়া ঘাটে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়: কর্তৃপক্ষ নিরব

খুলনা খাদ্য অধিদপ্তরের মনিটরিং কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন: বিভাগীয় কেমিস্ট মনিরুল হাসান ও মাসুদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ 

খুলনা খাদ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, খুলনা মহানগর খাদ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা বিভাগীয় কেমিস্ট মনিরুল হাসান ও মাসুদ নামে দুই কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়ে থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

খাদ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সরকারি খাদ্যশস্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। এ ধরনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগ রয়েছে, খুলনা মহানগর খাদ্য মনিটরিং কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত।

খাদ্য সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, মাঠপর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণ, বাজার তদারকি, খাদ্যের মান যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তদের কার্যক্রমে যদি কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম থাকে, তাহলে তার প্রভাব সাধারণ ভোক্তা, ব্যবসায়ী ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনার ওপর পড়তে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মনিটরিং ব্যবস্থায় আরও কঠোরতা প্রয়োজন। তাদের দাবি, নিয়মিত পরিদর্শন, প্রতিবেদন যাচাই এবং দায়িত্ব পালনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে অনিয়মের সুযোগ কমবে।

অন্যদিকে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে তা যাচাই ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা বের করা জরুরি।

খুলনার সচেতন মহলের দাবি, খাদ্য অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত,দুদকের কাছে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মনিটরিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে খুলনা খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে তদন্ত ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে গল্লামারী ব্রিজ: সফল খুলনাবাসী

খুলনা খাদ্য অধিদপ্তরের মনিটরিং কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন: বিভাগীয় কেমিস্ট মনিরুল হাসান ও মাসুদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

খুলনা খাদ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, খুলনা মহানগর খাদ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা বিভাগীয় কেমিস্ট মনিরুল হাসান ও মাসুদ নামে দুই কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়ে থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

খাদ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সরকারি খাদ্যশস্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। এ ধরনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগ রয়েছে, খুলনা মহানগর খাদ্য মনিটরিং কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত।

খাদ্য সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, মাঠপর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণ, বাজার তদারকি, খাদ্যের মান যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তদের কার্যক্রমে যদি কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম থাকে, তাহলে তার প্রভাব সাধারণ ভোক্তা, ব্যবসায়ী ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনার ওপর পড়তে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মনিটরিং ব্যবস্থায় আরও কঠোরতা প্রয়োজন। তাদের দাবি, নিয়মিত পরিদর্শন, প্রতিবেদন যাচাই এবং দায়িত্ব পালনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে অনিয়মের সুযোগ কমবে।

অন্যদিকে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে তা যাচাই ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা বের করা জরুরি।

খুলনার সচেতন মহলের দাবি, খাদ্য অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত,দুদকের কাছে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মনিটরিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে খুলনা খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে তদন্ত ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।