আন্তর্জাতিক মানের ‘এ কার্বন কনশাস আরবান ডিজাইন আইডিয়া কম্পিটিশন- ২০২৬ এর ‘ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ডিজাস্টার-রেডি পাবলিক স্পেস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের দল ‘ছায়া’। জাতিসংঘের প্রকল্প সেবা সংস্থা (ইউএনওপিএস) জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের (এমওএইচপিডব্লিউ) সমন্বয়ে আয়োজিত এ উদ্যোগে অর্থায়ন করেছে জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন (বিএমজেড)।
বিশ^বিদ্যালয় সূত্র জানায়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা ‘আরবান উঠান’: অ্যান আরবান স্যাংচুয়ারি বিটুইন মেমোরি অ্যান্ড হিলিং’ গত বুধবার এ পুরস্কার লাভ করে। প্রকল্পটি তৈরি করেন এম.আর্ক শিক্ষার্থী হুসনে জাহান তন্বী ও তানজিমা আক্তার আঁকা এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী নুসরাত হোসেন স্বর্ণা ও মো. মোস্তাকিম মোল্লা মিতুল। দলটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রভাষক মো. তৌকির হোসেন।
বাংলার ঐতিহ্যবাহী উঠান ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রকল্পটিতে ঢাকার জন্য একটি জলবায়ু সহনশীল জনপরিসরের নকশা উপস্থাপন করা হয়। এতে পরিবেশবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক শীতলীকরণ ব্যবস্থা, বন্যা-উপযোগী নকশা এবং স্বল্প-কার্বন উপকরণের ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিচারকরা প্রকল্পটিতে জলবায়ু সহনশীলতা, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং জনগণকেন্দ্রিক জনপরিসর নির্মাণের ধারণার সৃজনশীল সমন্বয়ের প্রশংসা করেন।
এদিকে খুুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অর্জনে দলটির সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং পরিবেশ-সচেতন স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনা চর্চায় আরো উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি এ অর্জন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য শিক্ষার উৎকর্ষ, প্রাসঙ্গিকতা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষমতারও স্বীকৃতি বহন করে।
রীতা রানী খুলনা ব্যুরো থেকে 

























