সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ কুদরত-ই-খুদার ‘পিএস’ (ব্যক্তিগত সহকারী) পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে ব্যাপক অনিয়ম, ওষুধ ও সরকারি যন্ত্রাংশ চুরি এবং আউটসোর্সিং চাকরি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে মাসুদুর রহমান রাসেল নামে এক প্রতারকের বিরুদ্ধে। সুবিধামত সময়ে নিজেকে সরকারি চাকুরিজীবী, আবার কখনো ২০১৪ সাল থেকে সাংবাদিকতায় যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া এই সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রতারণার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। সাংবাদিক পরিচয় হিসেবে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় নি।
শুধুবএখানেই শেষ নই, আমার ভাই গোয়েন্দা সংস্থায় চাকরি করে বলে মেডিকেল কলেজে চাঁদাবাজি করেন। অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, নিজেকে পরিচালকের পিএস দাবি করে এই প্রতারক হাসপাতালের থেকে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ চুরি করে বাইরে বিক্রি করে আসছে। সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল হাসপাতালের স্টোর রুমের মহামূল্যবান যন্ত্রাংশ রাতের অন্ধকারে চুরি করে এনে গড়ের কান্দা এলাকার ভাঙড়ির দোকানে বিক্রি করার মতো দুঃসাহসিক অপরাধও ঘটিয়ে চলেছেন তিনি।
এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ কুদরত-ই-খুদা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সে আমার কোনো পিএস ছিল না এবং এখনো নেই। এই মাসুদ একজন সম্পূর্ণ ভণ্ড ও প্রতারক আমার নাম ভাঙাচ্ছে আপনারা তাকে ধরে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দিন।
প্রতারক মাসুদের অপকর্মের বিষয়ে সাতক্ষীরা নাগরিক নেতা আবুল হোসেন বলেন,মাসুদ নামের এই প্রতারকের কথা আমরা আগেও শুনেছি। নিজেকে মেডিকেলের পরিচালকের পিএস দাবি করে আউটসোর্সিংয়ে চাকরি দেওয়ার নামে সে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
অথচ সে একসময় মানুষের বাড়ি গিয়ে প্রাইভেট পড়াত। আমরা অবিলম্বে এই ভণ্ডকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত প্রতারক মাসুদ রাসেল নামের ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে বলেন আমার হাত অনেক লম্বা আমার নিউজ করে পারলে কিছু করে নিয়েন। আমিও সাংবাদিক ছিলাম।
সাতক্ষীরা অফিস 























