ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে মাকে গুলি যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনি যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে খুলনা বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ পিস ইয়াবা, ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার খুলনায় ¬খাদ্য কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা ।। বাধ্য করা হচ্ছে মাদকসেবনে দ্রুতগতির পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাছবাহী ভ্যানের আরোহীর সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার বিরোধী দল হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: রংপুরে মির্জা ফখরুল দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডেটাবেজ কেন নয়, হাই কোর্টের রুল

দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডেটাবেজ কেন নয়, হাই কোর্টের রুল

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

রুলে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, তথ্য ও প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার। আদালতে তিনি নিজেই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

রিট আবেদনে নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সংবিধান অনুয়ায়ী জীবনের অধিকার, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।

দণ্ডবিধি, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, যৌতুক নিরোধ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ যেকোনো ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিতদের এনআইডি নম্বরসহ একটি আইনসম্মত ও কার্যকর ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী ফাহমিদা আখতার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এই ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না।

“যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে, অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।”

তিনি বলেন, “পৃথিবীতে কোনো মানুষই অপরাধী হয়ে জন্মায় না। সামাজিক অবস্থা, ব্যবস্থা এবং প্রেক্ষাপটে যেমন ভালো মানুষের সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনই সামাজিক কিছু কুপ্রভাবে অনেক অপরাধীরও সৃষ্টি হয়।”

দেশে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অভাবের কথা জানিয়ে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার বলেন, “আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন আছে, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কঠিন শাস্তি আছে। কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই।

“আমরা কাউকে কাজে নিয়োগ দিতে চাইলে বা কারও সাথে সম্পর্ক গড়ার আগে তার ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করব, এমন কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।”

এ অনলাইন ডেটাবেজ বাস্তবায়ন হলে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সমুন্নত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে মাকে গুলি

দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডেটাবেজ কেন নয়, হাই কোর্টের রুল

আপলোড সময় ০৩:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

রুলে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, তথ্য ও প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার। আদালতে তিনি নিজেই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

রিট আবেদনে নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সংবিধান অনুয়ায়ী জীবনের অধিকার, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।

দণ্ডবিধি, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, যৌতুক নিরোধ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ যেকোনো ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিতদের এনআইডি নম্বরসহ একটি আইনসম্মত ও কার্যকর ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী ফাহমিদা আখতার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দণ্ডিত আসামিদের রেকর্ডগুলো যেহেতু পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল থাকবে, এই ইনফরমেশনটা আর কনফিডেনশিয়াল থাকবে না।

“যার কারণে সামাজিক ক্রিটিসিজমের ভয়ে, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে অপরাধী বারবার চিন্তা করবে, অপরাধের সংখ্যাটাও কমবে।”

তিনি বলেন, “পৃথিবীতে কোনো মানুষই অপরাধী হয়ে জন্মায় না। সামাজিক অবস্থা, ব্যবস্থা এবং প্রেক্ষাপটে যেমন ভালো মানুষের সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনই সামাজিক কিছু কুপ্রভাবে অনেক অপরাধীরও সৃষ্টি হয়।”

দেশে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অভাবের কথা জানিয়ে ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার বলেন, “আমাদের দেশে অনেকগুলো আইন আছে, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কঠিন শাস্তি আছে। কিন্তু প্রিভেন্টিভ কোনো মেজার নেই।

“আমরা কাউকে কাজে নিয়োগ দিতে চাইলে বা কারও সাথে সম্পর্ক গড়ার আগে তার ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করব, এমন কোনো ভেরিফিকেশন প্রসেস আমাদের নেই।”

এ অনলাইন ডেটাবেজ বাস্তবায়ন হলে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সমুন্নত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।