ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রূপগঞ্জে ইউএনও’র নেতৃত্বে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যেভাবে উত্থান সাতক্ষীরার নায়েব শর্মিষ্ঠার ঘুষ বাণিজ্যের মহারাণী হয়ে ওঠা   খুলনায় ইয়াবার বড় চালানসহ স্বামী-স্ত্রীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার খুলনায় গভীর রাতে যুবদল নেতার বাড়িতে গুলি নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতা উপল বখতের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরার তালায় বজ্রপাতে কৃষক নিহত আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক, পাশে দাঁড়াল বিজিবি সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল আইএফএসডি ফাউন্ডেশন গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া পুড়াভিটা এলাকা থেকে হিরোইনসহ ৪ জন গ্রেফতার

যেভাবে উত্থান সাতক্ষীরার নায়েব শর্মিষ্ঠার ঘুষ বাণিজ্যের মহারাণী হয়ে ওঠা  

* সুন্দর চেহারা পুঁজি। 

* উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে খুশি রাখা।

* গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেম।

মুখে পড়ে থাকেন সবসময় মাক্স আর সেই মাক্সের আড়ালের লুকানো রয়েছে ভয়ংকর ঘুষের চেহারা।ঘুষের মহারাণী শর্মিষ্ঠা সরকার সুন্দর চেহারা দেখিয়ে সবসময় বাগিয়ে নেন ভালো কর্মস্থলগুলোতে পদায়ন । চাকরিজীবনে যেখানে গিয়েছে সেখানে গড়ে তুলেছে ঘুষের সিন্ডিকেট। তারা চাকরি জীবনে ঘুষের অভয়ারণ্য কালিগঞ্জের মৌতলা, ভাড়াশিমলা, বসন্তপুর, সদরের আগরদাড়িতে কর্মরত ছিলেন।

সরজমিনে আরও অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে সদর উপজেলা ধুলিহর ভূমি অফিসে শর্মিষ্ঠা সরকার যোগদান করেন উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে। যোগদানের পর ভূমি অফিসের ফাঁক ফোঁকর ভাল করে আয়ত্ত করে নেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতা বাবা প্রশান্ত কুমারের তদবির করে মৌতলা ভূমি অফিসে যোগদান করেন। মৌতলায় যোগদানের পরে শর্মিষ্ঠার ঘুষ বাণিজ্যর নতুন কর্মযঞ্জ শুরু হয়। তৎকালীন মৌতলার ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোশাররফ সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মৌতলায় খাস জমি ইজারা, বাজারে দোকান বরাদ্দ, ভূয়া দলিলে নামজারি বিনিময়ে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সরকারের প্রভাব খাটিয়ে একই কর্মস্থলে ৬ বছর ছিলেন শর্মিষ্ঠা যেটা সাতক্ষীরা ইতিহাসে নজির বিহীন।

ঘুষের কোটি টাকা কৌশলে স্বামী প্রশান্ত ও বোন সমাপ্তি সরকারের নামে সম্পদ ক্রয় ও ব্যাংকে ডিপোজিট রেখেছে। তাছাড়া তার বোনের নামে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাটের জমি কিনে দুইতলা বাড়ি নির্মাণ করেছে। কালিগঞ্জে কোটি টাকা মূল্যের ৪ কাটার একটি প্লট আছে শর্মিষ্ঠার নামে। বেতন ৩৫ হাজার হলেও মাসিক খরচ লাখ টাকার উপরে। কালিগঞ্জে একটি বিলাশবহুল ভাড়া ১২ হাজার, শহরের বাসা ৬ হাজার, মাসিক দুইবারে পার্লার খরচ ৬ হাজার, তার সন্তানকে উচ্চব্যয়ে ক্যাডেট কলেজে পড়ালেখা করান। তার মায়ের পরিবারে মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। তার স্বামী একজন কর্মহীন। সে ব্যবহার করেন গতানুগতিক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল।

২০১২ সালে মৌতলায় ঘুষের রাজত্বে থেকে বদলি হয়ে আসেন ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে। যোগদানের পরে নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে। দুজনে মিলে ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে গড়ে তোলেন ঘুষের রাজ্য। খাসজমি ইজারা,খাজনা দাখিলা, নামজারি সিন্ডিকেটসহ লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।

ভাড়াশিমলায় তাদের দুর্নীতি বিরুদ্ধে তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেখালেখি হলে বদলি করা হয়। কিন্তু ইউনূস চিশতী সাবেক মন্ত্রী রুহুল হকের ক্ষমতা আর নিজের টাকার বিনিময়ে শর্মিষ্ঠাকে সাথে নিয়ে পাশের ভূমি অফিস বসন্তপুরে বদলি হন একসাথে। ইউনুস চিশতী চাকরিজীবনে যেখানে যেতেন সেখানে শর্মিষ্ঠাকে বদলি করে নিয়ে যেতেন।

বসন্তপুর গিয়েও দুজনে মিলে একই সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। বিভিন্ন অসহায় মানুষকে খাসজমি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে আর ফেরত দেননি। ইউনূস চিশতী ও শর্মিষ্ঠার সম্পর্কের ভাটাপড়লে শর্মিষ্ঠা বদলি হয়ে শ্যামনগর সদর ভূমি অফিসে । ৩ মাস পর ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব হলে শর্মিষ্ঠা বদলি হন পারুলিয়া ভূমি অফিসে। পারুলিয়া ভূমি অফিসে এসে সুবিধা না করতে পারায় বদলি হন সদর উপজেলার আগরদাড়ি ভূমি অফিসে।

২০২৪ সালের ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সরকারের কিছু নেতাকে হাতে রেখে ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম করেন আগরদাড়িতে। চড়তেন দামি ব্রান্ডের ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারে। মাসে লাখ টাকা ভাড়াচুক্তিতে কালিগঞ্জ থেকে যাতায়াত করতেন আগরদাড়ি ভূমি অফিসে মাসের পর মাস। বিভিন্ন সেবাগ্রহীতাদের থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে শাস্তি চেয়ে আবেদন করলেও কোন সুরহা পায়নি। বরং অভিযোগ রয়েছে উল্টো কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে বদলি হয়ে আসেন ঘুষের রাজ্য পৌরভূমি অফিসে। শর্মিষ্ঠার এমন কর্মকান্ডে হতাশ অনান্য ভূমি সহকারী কর্মকর্তারা।

তৎকালীন সময়ে কৌশলে ভাড়াশিমলার আরেক নায়েব নন্দকে মহিলা দিয়ে ফাসিয়ে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাকে বরখাস্ত করান নায়েব শর্মিষ্ঠা। কলেজ জীবনে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের এক শিক্ষককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বহু টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষককে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করেননি। কিন্তু শিক্ষকের দাবি তারা বিয়ে করেছিলেন।

সদর উপজেলার আগরদাড়ি ও পৌর ভূমি অফিসে থাকাকালীন এক তরুণ সাংবাদিকের সাথে গভীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। সেই সাংবাদিক তার অনিয়মের অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রেমে জড়িয়ে যান । এ যেন পরিমনী এডিসি স্যাকলাইন কান্ডের প্রতিচ্ছবি। সেই সাংবাদিককে ব্যবহার করে অনেক অনৈতিক কার্য হাসিল করে নেন। তাদের প্রেম কাহিনী পুরো সাংবাদিক মহলে জানাজানি হলে তীব্র সমালোচনার জন্ম নেয়। পরবর্তীতে সেই সাংবাদিকের কাছে থাকা প্রেম আলাপ কল রেকর্ড ফাঁসের গুঞ্জন উঠলে সাংবাদিককে বিভিন্ন ভাবে বাঘব বোয়াল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দিয়ে ফোন করিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

অভিযুক্ত শর্মিষ্ঠা সরকার বলেন, আপনাদের সকল তথ্য সঠিক নয়। আমার ব্যক্তি জীবনে কার সাথে সম্পর্ক ছিল না এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। ভূৃমি অফিসে ঘুষ চলে সবাই জানে এটা সিস্টেম হয়ে গেছে। কিন্তু যেভাবে বলছে সে ভাবে না। ঘুষের মহারাণী খেতাবের বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান। বলেন আমাকে ঘিরে কারা যেন ষড়যন্ত্র করছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ইউএনও’র নেতৃত্বে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

যেভাবে উত্থান সাতক্ষীরার নায়েব শর্মিষ্ঠার ঘুষ বাণিজ্যের মহারাণী হয়ে ওঠা  

আপলোড সময় ১০:৩২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

* সুন্দর চেহারা পুঁজি। 

* উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে খুশি রাখা।

* গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেম।

মুখে পড়ে থাকেন সবসময় মাক্স আর সেই মাক্সের আড়ালের লুকানো রয়েছে ভয়ংকর ঘুষের চেহারা।ঘুষের মহারাণী শর্মিষ্ঠা সরকার সুন্দর চেহারা দেখিয়ে সবসময় বাগিয়ে নেন ভালো কর্মস্থলগুলোতে পদায়ন । চাকরিজীবনে যেখানে গিয়েছে সেখানে গড়ে তুলেছে ঘুষের সিন্ডিকেট। তারা চাকরি জীবনে ঘুষের অভয়ারণ্য কালিগঞ্জের মৌতলা, ভাড়াশিমলা, বসন্তপুর, সদরের আগরদাড়িতে কর্মরত ছিলেন।

সরজমিনে আরও অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৫ সালে সদর উপজেলা ধুলিহর ভূমি অফিসে শর্মিষ্ঠা সরকার যোগদান করেন উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে। যোগদানের পর ভূমি অফিসের ফাঁক ফোঁকর ভাল করে আয়ত্ত করে নেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতা বাবা প্রশান্ত কুমারের তদবির করে মৌতলা ভূমি অফিসে যোগদান করেন। মৌতলায় যোগদানের পরে শর্মিষ্ঠার ঘুষ বাণিজ্যর নতুন কর্মযঞ্জ শুরু হয়। তৎকালীন মৌতলার ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোশাররফ সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মৌতলায় খাস জমি ইজারা, বাজারে দোকান বরাদ্দ, ভূয়া দলিলে নামজারি বিনিময়ে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সরকারের প্রভাব খাটিয়ে একই কর্মস্থলে ৬ বছর ছিলেন শর্মিষ্ঠা যেটা সাতক্ষীরা ইতিহাসে নজির বিহীন।

ঘুষের কোটি টাকা কৌশলে স্বামী প্রশান্ত ও বোন সমাপ্তি সরকারের নামে সম্পদ ক্রয় ও ব্যাংকে ডিপোজিট রেখেছে। তাছাড়া তার বোনের নামে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাটের জমি কিনে দুইতলা বাড়ি নির্মাণ করেছে। কালিগঞ্জে কোটি টাকা মূল্যের ৪ কাটার একটি প্লট আছে শর্মিষ্ঠার নামে। বেতন ৩৫ হাজার হলেও মাসিক খরচ লাখ টাকার উপরে। কালিগঞ্জে একটি বিলাশবহুল ভাড়া ১২ হাজার, শহরের বাসা ৬ হাজার, মাসিক দুইবারে পার্লার খরচ ৬ হাজার, তার সন্তানকে উচ্চব্যয়ে ক্যাডেট কলেজে পড়ালেখা করান। তার মায়ের পরিবারে মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। তার স্বামী একজন কর্মহীন। সে ব্যবহার করেন গতানুগতিক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল।

২০১২ সালে মৌতলায় ঘুষের রাজত্বে থেকে বদলি হয়ে আসেন ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে। যোগদানের পরে নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে। দুজনে মিলে ভাড়াশিমলা ভূমি অফিসে গড়ে তোলেন ঘুষের রাজ্য। খাসজমি ইজারা,খাজনা দাখিলা, নামজারি সিন্ডিকেটসহ লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।

ভাড়াশিমলায় তাদের দুর্নীতি বিরুদ্ধে তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেখালেখি হলে বদলি করা হয়। কিন্তু ইউনূস চিশতী সাবেক মন্ত্রী রুহুল হকের ক্ষমতা আর নিজের টাকার বিনিময়ে শর্মিষ্ঠাকে সাথে নিয়ে পাশের ভূমি অফিস বসন্তপুরে বদলি হন একসাথে। ইউনুস চিশতী চাকরিজীবনে যেখানে যেতেন সেখানে শর্মিষ্ঠাকে বদলি করে নিয়ে যেতেন।

বসন্তপুর গিয়েও দুজনে মিলে একই সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। বিভিন্ন অসহায় মানুষকে খাসজমি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে আর ফেরত দেননি। ইউনূস চিশতী ও শর্মিষ্ঠার সম্পর্কের ভাটাপড়লে শর্মিষ্ঠা বদলি হয়ে শ্যামনগর সদর ভূমি অফিসে । ৩ মাস পর ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব হলে শর্মিষ্ঠা বদলি হন পারুলিয়া ভূমি অফিসে। পারুলিয়া ভূমি অফিসে এসে সুবিধা না করতে পারায় বদলি হন সদর উপজেলার আগরদাড়ি ভূমি অফিসে।

২০২৪ সালের ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সরকারের কিছু নেতাকে হাতে রেখে ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম করেন আগরদাড়িতে। চড়তেন দামি ব্রান্ডের ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারে। মাসে লাখ টাকা ভাড়াচুক্তিতে কালিগঞ্জ থেকে যাতায়াত করতেন আগরদাড়ি ভূমি অফিসে মাসের পর মাস। বিভিন্ন সেবাগ্রহীতাদের থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে শাস্তি চেয়ে আবেদন করলেও কোন সুরহা পায়নি। বরং অভিযোগ রয়েছে উল্টো কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে বদলি হয়ে আসেন ঘুষের রাজ্য পৌরভূমি অফিসে। শর্মিষ্ঠার এমন কর্মকান্ডে হতাশ অনান্য ভূমি সহকারী কর্মকর্তারা।

তৎকালীন সময়ে কৌশলে ভাড়াশিমলার আরেক নায়েব নন্দকে মহিলা দিয়ে ফাসিয়ে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাকে বরখাস্ত করান নায়েব শর্মিষ্ঠা। কলেজ জীবনে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের এক শিক্ষককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বহু টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষককে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করেননি। কিন্তু শিক্ষকের দাবি তারা বিয়ে করেছিলেন।

সদর উপজেলার আগরদাড়ি ও পৌর ভূমি অফিসে থাকাকালীন এক তরুণ সাংবাদিকের সাথে গভীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। সেই সাংবাদিক তার অনিয়মের অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রেমে জড়িয়ে যান । এ যেন পরিমনী এডিসি স্যাকলাইন কান্ডের প্রতিচ্ছবি। সেই সাংবাদিককে ব্যবহার করে অনেক অনৈতিক কার্য হাসিল করে নেন। তাদের প্রেম কাহিনী পুরো সাংবাদিক মহলে জানাজানি হলে তীব্র সমালোচনার জন্ম নেয়। পরবর্তীতে সেই সাংবাদিকের কাছে থাকা প্রেম আলাপ কল রেকর্ড ফাঁসের গুঞ্জন উঠলে সাংবাদিককে বিভিন্ন ভাবে বাঘব বোয়াল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দিয়ে ফোন করিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

অভিযুক্ত শর্মিষ্ঠা সরকার বলেন, আপনাদের সকল তথ্য সঠিক নয়। আমার ব্যক্তি জীবনে কার সাথে সম্পর্ক ছিল না এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। ভূৃমি অফিসে ঘুষ চলে সবাই জানে এটা সিস্টেম হয়ে গেছে। কিন্তু যেভাবে বলছে সে ভাবে না। ঘুষের মহারাণী খেতাবের বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান। বলেন আমাকে ঘিরে কারা যেন ষড়যন্ত্র করছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।