নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রাবেয়া খাতুন নামে এক নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সারোয়ার জাহান সাগর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন।
গ্রেপ্তার সারোয়ার জাহান সাগর চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। নিহত রাবেয়া খাতুন ভোলা সদর উপজেলার চররমেশ এলাকার শামসুদ্দিনের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জ উপজেলার নাওড়া এলাকায় চা-দোকানি রানার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন রাবেয়া। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি পার্শ্ববর্তী জলসিঁড়ি প্রকল্পের শ্রমিকদের রান্নার কাজ করতেন।
মামলার তদন্ত ও আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, গত ৪ অক্টোবর রাতে রান্নার কাজ শেষে নাওড়ার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন রাবেয়া। পথে জলসিঁড়ি প্রকল্পের ১২ নম্বর সেক্টরের ১০৭ নম্বর রাস্তার পাশে পৌঁছালে সাগর তাঁর ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে রাবেয়া চিৎকার করলে আসামি তাঁর নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে। পরে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। এতে রাবেয়ার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
পরদিন ৫ অক্টোবর দুপুরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে রাবেয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে পুলিশ জলসিঁড়ি প্রকল্প এলাকা থেকে সারোয়ার জাহান সাগরকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে হাজির করা হলে তিনি ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ 
























