সাভারের মাদক সম্রাট শামীমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও কারাভোগে বাধ্য করেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক দিলশান আরা অনিমা অভিযোগ করে বলেন, শামীমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কায়সার মাতব্বর, সাভার মডেল থানার সাবেক ওসি জুয়েল মিয়া এবং তাহমিনা আখতার আখি বিভিন্নভাবে এই কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাদের সহযোগিতায় একাধিক ব্যক্তিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে এসব মামলার অনেকগুলোর অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তবুও প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চরম মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
সাংবাদিক দিলশান আরা অনিমা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যেসব মামলা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, সেগুলো দ্রুত পুনঃতদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলও। তারা মনে করছেন, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষের আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার থেকে 

























