ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনার আমতলীতে ১৯০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার ২ ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী কে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টা; ভাঙ্গুড়ায় ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযানে আরও ৩৪জন গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম লিটনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর খুলনায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত টানা দুই বছর শূন্য থাকলে পদ বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাচারের জন্য রাখা একাধিক বন্যপ্রাণী উদ্ধার, একজন গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলকে একা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের এনআইডি’র স্মার্টকার্ড প্রকল্প শেষ হচ্ছে নভেম্বরে
রাজধানীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুষারধারা আবাসিক এলাকায়

গৃহায়ণ সচিবের সহযোগিতায় নির্মাণবিধি লঙ্ঘন: অকুপেন্সি সনদ ছাড়াই বহুতল ভবনে বসবাস

রাজধানীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুষারধারা আবাসিক এলাকার ২য় প্রধান সড়কের ১০ নম্বর সেক্টরে একটি বহুতল ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে নির্মাণবিধি লঙ্ঘন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ভবনটি যথাযথ অনুমোদন ও নির্মাণবিধি অনুসরণ না করেই নির্মাণ করা হচ্ছে এবং রাজউকের নজরদারি এড়াতে ভবনটিতে অকুপেন্সি সনদ ছাড়াই বসবাস শুরু করা হয়েছে।


অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় ভবনটির নির্মাণকাজ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলামের সহযোগিতা বা প্রভাবের কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। নির্ধারিত নকশা, সেটব্যাক ও অন্যান্য নির্মাণবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভবনটি এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ শেষ না হলেও সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু হয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, কোনো ভবনে বসবাসের আগে রাজউকের কাছ থেকে অকুপেন্সি সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এই সনদ নিশ্চিত করে যে ভবনটি অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে এবং সেখানে বসবাস নিরাপদ। অকুপেন্সি সনদ ছাড়া বসবাস শুরু করলে তা আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং ভবিষ্যতে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত বা অভিযানের তথ্য পেলেই ভবনের মালিকপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের দাবি।
এ বিষয়ে রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে গৃহায়ণ সচিবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ভবনের নকশা ও অনুমোদনের কাগজপত্র যাচাই এবং অকুপেন্সি সনদ ছাড়া বসবাসের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য পাওয়া সাপেক্ষে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনার আমতলীতে ১৯০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার ২

রাজধানীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুষারধারা আবাসিক এলাকায়

গৃহায়ণ সচিবের সহযোগিতায় নির্মাণবিধি লঙ্ঘন: অকুপেন্সি সনদ ছাড়াই বহুতল ভবনে বসবাস

আপডেট সময় ১১:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

রাজধানীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুষারধারা আবাসিক এলাকার ২য় প্রধান সড়কের ১০ নম্বর সেক্টরে একটি বহুতল ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে নির্মাণবিধি লঙ্ঘন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ভবনটি যথাযথ অনুমোদন ও নির্মাণবিধি অনুসরণ না করেই নির্মাণ করা হচ্ছে এবং রাজউকের নজরদারি এড়াতে ভবনটিতে অকুপেন্সি সনদ ছাড়াই বসবাস শুরু করা হয়েছে।


অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় ভবনটির নির্মাণকাজ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলামের সহযোগিতা বা প্রভাবের কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। নির্ধারিত নকশা, সেটব্যাক ও অন্যান্য নির্মাণবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভবনটি এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ শেষ না হলেও সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু হয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, কোনো ভবনে বসবাসের আগে রাজউকের কাছ থেকে অকুপেন্সি সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এই সনদ নিশ্চিত করে যে ভবনটি অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে এবং সেখানে বসবাস নিরাপদ। অকুপেন্সি সনদ ছাড়া বসবাস শুরু করলে তা আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং ভবিষ্যতে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত বা অভিযানের তথ্য পেলেই ভবনের মালিকপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের দাবি।
এ বিষয়ে রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে গৃহায়ণ সচিবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ভবনের নকশা ও অনুমোদনের কাগজপত্র যাচাই এবং অকুপেন্সি সনদ ছাড়া বসবাসের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য পাওয়া সাপেক্ষে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।