জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত রেশন চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খুলনার দাকোপ ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকায় জেলেদের জন্য সরকারের দেওয়া বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত জেলেরা অনেক ক্ষেত্রে চাল পাচ্ছেন না, আবার কোথাও তালিকা প্রণয়ন ও বিতরণ ব্যবস্থায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সরকার নিষেধাজ্ঞার সময় খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল দিয়ে থাকে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে এই চাল বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে সুবিধাভোগীর তালিকা তৈরি, চাল উত্তোলন, গুদাম থেকে সরবরাহ এবং বিতরণ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ের প্রয়োজন থাকলেও কোথাও কোথাও সেই প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের (ডিসি ফুড) কার্যালয়ের তদারকি ও দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত জেলেদের তালিকা যাচাই, চালের পরিমাণ ও বিতরণ রেজিস্টার পর্যালোচনা এবং মাঠ পর্যায়ে আকস্মিক তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি খাদ্য সহায়তা দরিদ্র ও প্রকৃত জেলেদের জন্য। এই চাল নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তা শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাই নয়, বরং অসহায় মানুষের অধিকার বঞ্চিত হওয়ার ঘটনা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত করে দাকোপ ও শ্যামনগর এলাকার জেলেদের রেশন চাল বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ব্যুরো চীফ, খুলনা 
























