ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হাবিবের স্ত্রী’র মৃত্যুতে শোক খুলনায় লাখ টাকার চাকরির প্রলোভনে কম্বোডিয়ায় মানবপাচার দম্পতি গ্রেফতার খুলনায় কলেজছাত্র অলিফ রোহান হত্যা মামলায় প্রধান আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড  সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি খুলনায় ছয়জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড  সাতক্ষীরার তালায় গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক নির্মানে দুর্নীতির মহোৎসবে কে চ্যাম্পিয়ন? প্রকৌশলী না কি ঠিকাদার ? খুলনায় বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিনসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দীর্ঘ হবে: মির্জা ফখরুল সারদায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স,পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু

খুলনায় কলেজছাত্র অলিফ রোহান হত্যা মামলায় প্রধান আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড 

  • খুলনা অফিস
  • আপলোড সময় ০৯:৩২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 16

খুলনায় আদালত কলেজ ছাত্র সৈয়দ অলিফ রোহান (১৯) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি তাসিন মোড়লকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে । গত সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ২ (অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালত) এর বিচারক আলমাচ মৃধা এ রায় ঘোষণা করেন। নিহত সৈয়দ অলিফ রোহান ফুলতলা উপজেলা সদরের ফুলতলা এম এম কলেজের সমাজকর্ম অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ২০২৩ সালে আসামি তাসিন মোড়ল অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি সামনে এলে আদালত তার মামলাটি পৃথক করে অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালতে স্থানান্তর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে ফুলতলা এম এম কলেজ প্রাঙ্গণে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় পায়গ্রাম কসবা গ্রামের সৈয়দ আবু তাহেরের ছেলে ও সমাজকর্ম অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র সৈয়দ অলিফ রোহানকে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় নিহত রোহানের পিতা বাদী হয়ে ঐ বছরের ১ এপ্রিল পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ফুলতলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার প্রধান আসামি ছিল স্থানীয় তাজপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মোড়লের পুত্র তাসিন মোড়ল। মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছে, সাব্বির ফরাজি, দীপ্ত সাহা, শান্ত গাজী ও শেখ আবু হাসানাত। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি দীপ্ত সাহাকে গ্রেফতার করে। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান ও কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীদের নাম প্রকাশ করে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তরিত করা হয়।

সরকারি পক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার হেনা বলেন. দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মামলার প্রধান আসামিকে শাস্তি দেওয়ায় বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হাবিবের স্ত্রী’র মৃত্যুতে শোক

খুলনায় কলেজছাত্র অলিফ রোহান হত্যা মামলায় প্রধান আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড 

আপলোড সময় ০৯:৩২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

খুলনায় আদালত কলেজ ছাত্র সৈয়দ অলিফ রোহান (১৯) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি তাসিন মোড়লকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে । গত সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ২ (অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালত) এর বিচারক আলমাচ মৃধা এ রায় ঘোষণা করেন। নিহত সৈয়দ অলিফ রোহান ফুলতলা উপজেলা সদরের ফুলতলা এম এম কলেজের সমাজকর্ম অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ২০২৩ সালে আসামি তাসিন মোড়ল অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি সামনে এলে আদালত তার মামলাটি পৃথক করে অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালতে স্থানান্তর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে ফুলতলা এম এম কলেজ প্রাঙ্গণে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় পায়গ্রাম কসবা গ্রামের সৈয়দ আবু তাহেরের ছেলে ও সমাজকর্ম অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র সৈয়দ অলিফ রোহানকে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় নিহত রোহানের পিতা বাদী হয়ে ঐ বছরের ১ এপ্রিল পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ফুলতলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার প্রধান আসামি ছিল স্থানীয় তাজপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মোড়লের পুত্র তাসিন মোড়ল। মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছে, সাব্বির ফরাজি, দীপ্ত সাহা, শান্ত গাজী ও শেখ আবু হাসানাত। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি দীপ্ত সাহাকে গ্রেফতার করে। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান ও কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীদের নাম প্রকাশ করে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তরিত করা হয়।

সরকারি পক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার হেনা বলেন. দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মামলার প্রধান আসামিকে শাস্তি দেওয়ায় বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।