আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ভারতে বসে রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন করা এবং দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণাকে ‘মামার বাড়ির আবদার’ ও ‘ধৃষ্টতা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করার পর এই ধরনের বক্তব্য জনগণ মেনে নেবে না। জনগণ গুম ও খুনের বিচার দেখতে চায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপির প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান সরকারকে ন্যায়-নিষ্ঠার ওপর দাঁড়ানো সরকার উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিগত দিনে যারা গুম করেছে, খুন করেছে; তাদের বিচার দেখতে চায় দেশের সাধারণ মানুষ। শেখ হাসিনার বিচার অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যিনি এত মানুষকে হত্যা করেছেন, তিনি আবার বিদেশে বসে প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন ডিসেম্বরে ফিরে আসবেন, রাজনীতি করবেন। যেন মামার বাড়ির আবদার।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন, তারা মূলত তাকে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চান। শেখ হাসিনা ও তার দল জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।’
অনুষ্ঠানে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণ করে রিজভী বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি করতেন না, তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়াসংগঠক। কিন্তু তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। মায়ের ওপর হওয়া অত্যাচার ও নির্যাতন তিনি সহ্য করতে পারেননি।’
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এত কিছুর পরও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না, তিনি দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সুবিচারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান।
অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুস সামাদ আজাদ বিপু 


















