ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
উত্তরখানে লাগামহীন বিদ্যুতের তার চুরি তালায় গৃহবধূকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষন : নারী সহ ৩জনের বিরুদ্ধে মামলা নিজের দেওয়া ভোটের একটি অংশ মেনে অন্য অংশ অস্বীকার করা যায় না- মিয়া গোলাম পরওয়ার মিথ্যা মামলায় পুরুষের নির্যাতন: আইনের অপব্যবহার বন্ধ হোক-অনি ঠাকুরগাঁও এল জি ই ডির দুর্নীতি ঢাকতে নারী টিকটকার ব্যবহার রূপগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট নরসিংদী সরকারি কলেজের ছাত্র মুয়াজ ‘হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের জন্য সরকারের দুর্নীতি ও দলীয়করণ দায়ী: গোলাম পরওয়ার সচিবালয়ের মতো জায়গায় রাজনৈতিক দলের বৈঠকের ইতিহাস জানা নেই: আযাদ রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল, এরপর কী?

খুলনা বিভাগের খাদ্যশস্য বিতরণে স্বচ্ছতা আনাই লক্ষ্য: নতুন আরসিএফ আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম

খুলনা বিভাগের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসিএফ) আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেছেন, সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও সঠিক পরিমাণ খাদ্যশস্য নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অসঙ্গতি বরদাশত করা হবে না।

খুলনা বিভাগের খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন আরসিএফ মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম, খাদ্য গুদাম ব্যবস্থাপনা, ওএমএস, সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এবং খাদ্যশস্য পরিবহন ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকারের খাদ্যশস্য যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে যায়, সেটিই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এজন্য প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।”

খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত, সংরক্ষণ পদ্ধতি, বিতরণ প্রক্রিয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকি করা হবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

খুলনা বিভাগ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ অঞ্চল। এ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরকারি খাদ্য কর্মসূচির আওতায় চাল ও গম বিতরণ করা হয়। তাই খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আরসিএফ জানান, খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, খাদ্য গুদামগুলোতে মজুতের সঠিক হিসাব, সরকারি খাদ্যশস্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিতরণ কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন আরসিএফের নেতৃত্বে খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আরও গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরখানে লাগামহীন বিদ্যুতের তার চুরি

খুলনা বিভাগের খাদ্যশস্য বিতরণে স্বচ্ছতা আনাই লক্ষ্য: নতুন আরসিএফ আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম

আপলোড সময় ০৭:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

খুলনা বিভাগের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসিএফ) আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেছেন, সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও সঠিক পরিমাণ খাদ্যশস্য নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অসঙ্গতি বরদাশত করা হবে না।

খুলনা বিভাগের খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন আরসিএফ মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম, খাদ্য গুদাম ব্যবস্থাপনা, ওএমএস, সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এবং খাদ্যশস্য পরিবহন ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকারের খাদ্যশস্য যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে যায়, সেটিই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এজন্য প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।”

খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত, সংরক্ষণ পদ্ধতি, বিতরণ প্রক্রিয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকি করা হবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

খুলনা বিভাগ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ অঞ্চল। এ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরকারি খাদ্য কর্মসূচির আওতায় চাল ও গম বিতরণ করা হয়। তাই খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আরসিএফ জানান, খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, খাদ্য গুদামগুলোতে মজুতের সঠিক হিসাব, সরকারি খাদ্যশস্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিতরণ কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন আরসিএফের নেতৃত্বে খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আরও গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম খুলনা বিভাগের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।