গত মাসে বিপুল পরিমাণ বন্য পাখি শিকারের ঘটনায় ৭ বস্তা পাখি জব্দের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও, এখন পর্যন্ত সেই চক্রের সদস্যদের পরিচয় প্রকাশ কিংবা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্র জানায়, অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক শিকার করা পাখি উদ্ধার করা হয়। তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, এ ঘটনার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে এবং তাদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে। এমনকি তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল।
তবে ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও চক্রটির পরিচয়, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিংবা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য সামনে আসেনি। এতে স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও সচেতন মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের সংঘবদ্ধ পাখি শিকার শুধু পরিবেশের জন্যই হুমকি নয়, এটি জীববৈচিত্র্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই কেবল অভিযান চালিয়ে পাখি উদ্ধার করলেই হবে না, এর পেছনের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে বন বিভাগের নজরদারি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত সমাধান কবে মিলবে, তা নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশ্নের মুখে বন বিভাগের ভূমিকা
গত মাসে ৭ বস্তা পাখি শিকার: সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান মিললেও সমাধান অধরাই
-
মোঃশাহীন হোসেন, খুলনা অফিস - আপডেট সময় ০২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
- ১ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ






















