ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু  খুলনায় যৌথ অভিযানের মধ্যেই বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব ও উন্নয়নমুখী দাবি খুলনা চেম্বারের তালায় জলবায়ু অভিযোজন নেটওয়ার্কের অর্ধবার্ষিক সভা মশার পেছনে কোটি টাকা: বিদেশ সফরে ব্যয়, সেই অর্থে কত ওষুধ ও স্প্রে মেশিন কেনা যেত? কুয়েটে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বিচার নাকি হয়রানি? শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ঠাকুরগাঁও জেলার মোটরসাইকেল চুরির হোতা আ.লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আটক জাল সনদের ৪৭১ জন ১০ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন! সরকারের ক্ষতি কত কোটি টাকা, কবে হবে অর্থ উদ্ধার—প্রশ্ন জনমনে খুলনার কয়রায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে খুলনায় সোলার পার্ক সচলের দাবিতে ৬ দফা সুপারিশ

আতঙ্কের নগরী খুলনা: একের পর এক খুন, গুলাগুলি ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব

আতঙ্কের নগরী খুলনা: একের পর এক খুন, গুলাগুলি ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব
নির্ভীক সংবাদ। খুলনা ব্যুরো মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
খুলনা, ২২ মে ২০২৬:
রাত নামলেই খুলনা যেন আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়। একের পর এক খুন, গুলাগুলি, ধারালো অস্ত্রের কোপ, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করছেন, প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। গত কয়েক মাসে খুলনা জেলায় ২০-এর বেশি গুলিবিদ্ধ হত্যাকাণ্ডসহ অর্ধশতাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও জেলা পুলিশের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই অন্তত ২১ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার তৃতীয় ফেজসহ বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের হামলা ও গুলাগুলির ঘটনা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি সোনাডাঙ্গায় এক ব্যবসায়ী ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ধরনের ঘটনা প্রতি রাতে ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর আধিপত্য বেড়েছে। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জের ধরে প্রতিপক্ষ গ্রুপের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্ণব কুমার সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। অনেকে অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একাংশের নীরবতা ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা
সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা: তৃতীয় ফেজে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত। পুলিশ ব্যক্তিগত শত্রুতা বা চাঁদাবাজির জের সন্দেহ করছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হত্যা: তেঁতুলতলা মোড়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় অর্ণবকে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
কোর্ট এলাকায় গুলি: খুলনা মেট্রোপলিটন সেশনস জজ কোর্টের সামনে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় আতঙ্ক: মাওয়া, রূপসা, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় রাত হলেই ছিনতাই, ডাকাতি ও হামলার ঘটনা বাড়ছে।
এছাড়া গত ১৫-১৮ মাসে খুলনায় ৬০-৯৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলা হলেও আসামি গ্রেপ্তার বা বিচারের অগ্রগতি খুবই কম।
প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও জনমনে প্রশ্ন
সাধারণ মানুষের ধারণা, প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের যোগসাজশ বা নীরব সমর্থনের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, পুলিশের সক্রিয়তা কমে যাওয়ায় অপরাধীরা সুযোগ পেয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার বলেছেন, মাদক, আধিপত্য ও লোভের কারণে সহিংসতা বাড়ছে। পুলিশ মোবাইল ডিউটি বাড়িয়েছে এবং অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দলগুলো এ দাবিকে যথেষ্ট মনে করছে না। তারা বলছেন, প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে খুলনা ‘সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে’ পরিণত হয়েছে। বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। এলাকাবাসী নিরাপত্তা জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব
খুলনার শিল্পাঞ্চল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এই আতঙ্কের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা রাতে দোকান খুলতে ভয় পান। অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠাতে দ্বিধায় পড়ছেন। শিল্পকারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, মাদকের বিস্তার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা মিলে এই সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
জনগণের প্রত্যাশা
খুলনাবাসী চান, প্রশাসন যেন নিরপেক্ষভাবে অপরাধ দমনে কাজ করে। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, মাদকের জাল ভেঙে দেওয়া ও এলাকায় টহল বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা না করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
খুলনার এই আতঙ্কময় পরিস্থিতি শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় পর্যায়েও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের কাছে জনগণের দাবি—খুলনাকে আবার শান্তির নগরী করে তোলা হোক। অন্যথায় আতঙ্ক আরও ছড়িয়ে পড়বে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু 

আতঙ্কের নগরী খুলনা: একের পর এক খুন, গুলাগুলি ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব

আপডেট সময় ০২:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

আতঙ্কের নগরী খুলনা: একের পর এক খুন, গুলাগুলি ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব
নির্ভীক সংবাদ। খুলনা ব্যুরো মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
খুলনা, ২২ মে ২০২৬:
রাত নামলেই খুলনা যেন আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়। একের পর এক খুন, গুলাগুলি, ধারালো অস্ত্রের কোপ, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করছেন, প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। গত কয়েক মাসে খুলনা জেলায় ২০-এর বেশি গুলিবিদ্ধ হত্যাকাণ্ডসহ অর্ধশতাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও জেলা পুলিশের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই অন্তত ২১ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার তৃতীয় ফেজসহ বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের হামলা ও গুলাগুলির ঘটনা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি সোনাডাঙ্গায় এক ব্যবসায়ী ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ধরনের ঘটনা প্রতি রাতে ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর আধিপত্য বেড়েছে। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জের ধরে প্রতিপক্ষ গ্রুপের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্ণব কুমার সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। অনেকে অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একাংশের নীরবতা ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা
সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা: তৃতীয় ফেজে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত। পুলিশ ব্যক্তিগত শত্রুতা বা চাঁদাবাজির জের সন্দেহ করছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হত্যা: তেঁতুলতলা মোড়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় অর্ণবকে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
কোর্ট এলাকায় গুলি: খুলনা মেট্রোপলিটন সেশনস জজ কোর্টের সামনে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় আতঙ্ক: মাওয়া, রূপসা, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় রাত হলেই ছিনতাই, ডাকাতি ও হামলার ঘটনা বাড়ছে।
এছাড়া গত ১৫-১৮ মাসে খুলনায় ৬০-৯৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে মামলা হলেও আসামি গ্রেপ্তার বা বিচারের অগ্রগতি খুবই কম।
প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও জনমনে প্রশ্ন
সাধারণ মানুষের ধারণা, প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের যোগসাজশ বা নীরব সমর্থনের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, পুলিশের সক্রিয়তা কমে যাওয়ায় অপরাধীরা সুযোগ পেয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার বলেছেন, মাদক, আধিপত্য ও লোভের কারণে সহিংসতা বাড়ছে। পুলিশ মোবাইল ডিউটি বাড়িয়েছে এবং অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দলগুলো এ দাবিকে যথেষ্ট মনে করছে না। তারা বলছেন, প্রশাসনের দৌরাত্ম্য ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে খুলনা ‘সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে’ পরিণত হয়েছে। বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। এলাকাবাসী নিরাপত্তা জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব
খুলনার শিল্পাঞ্চল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এই আতঙ্কের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা রাতে দোকান খুলতে ভয় পান। অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠাতে দ্বিধায় পড়ছেন। শিল্পকারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, মাদকের বিস্তার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা মিলে এই সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
জনগণের প্রত্যাশা
খুলনাবাসী চান, প্রশাসন যেন নিরপেক্ষভাবে অপরাধ দমনে কাজ করে। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, মাদকের জাল ভেঙে দেওয়া ও এলাকায় টহল বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা না করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
খুলনার এই আতঙ্কময় পরিস্থিতি শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় পর্যায়েও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের কাছে জনগণের দাবি—খুলনাকে আবার শান্তির নগরী করে তোলা হোক। অন্যথায় আতঙ্ক আরও ছড়িয়ে পড়বে।