ইরান সফরকালে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন একটি বিদেশি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে ইরানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয়। এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি ও রাজনৈতিক সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। স্পিকার গালিবাফ বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা আন্তর্জাতিক বিরোধের সমাধান কখনোই হত্যা, সহিংসতা বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে হতে পারে না। তিনি আন্তর্জাতিক আইন, কূটনৈতিক সংলাপ এবং পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে গালিবাফ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সব দেশের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তিনি আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও সহিংসতার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী সংঘাত ও অস্থিরতা নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে তারা সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও রাজনৈতিক হত্যার মতো ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতেও পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বৈঠকের ছবি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলেও, “খামেনি হত্যার নিন্দা” সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা জরুরি। বর্তমান প্রতিবেদনটি প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























