ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাতক্ষীরার তালায় বজ্রপাতে কৃষক নিহত আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক, পাশে দাঁড়াল বিজিবি সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল আইএফএসডি ফাউন্ডেশন গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া পুড়াভিটা এলাকা থেকে হিরোইনসহ ৪ জন গ্রেফতার তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মানবতার সেবায় ও মানবিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিকসন খাঁন  খুলনায় ক্রিসেন্ট জুট মিলে ফিড কারখানা চালু করার প্রতিবাদে পাটকল শ্রমিকদের মানববন্ধন খুলনা মহানগরীর ৪৬টি স্কুলের তিন হাজার ২৬৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে ঘিরে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা দশম গ্রেডের চাকরি, শতকোটি টাকার সম্পদ! চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সায়েমকে ঘিরে তোলপাড় 

আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক, পাশে দাঁড়াল বিজিবি

নেত্রকোনায় রাতভর আগুন নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার ও নিরাপত্তায় এক প্লাটুন বিজিবি

রাতের আঁধারে বড় বাজারে যখন আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ছিল একের পর এক দোকান, তখন আতঙ্কিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উদ্ধারকাজ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতভর কাজ করেন বিজিবি সদস্যরা।

গতরাত আনুমানিক ৯টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার বড় বাজারের খাসিমহল এলাকায় মজুমদার ইলেকট্রনিক্সসহ কয়েকটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারীর নির্দেশে এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। একই সঙ্গে আগুনের বিস্তার ঠেকানো, দোকান ও স্থাপনার মালামাল রক্ষা এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর রাত ২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে মজুমদার ইলেকট্রনিক্স, সুচিত্রা খেলনা ঘরসহ মোট ছয়টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতার মধ্যেও বিজিবির সদস্যরা শুধু আগুন নিয়ন্ত্রণেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মালামাল উদ্ধারে সহায়তা এবং আশপাশের দোকানপাট ও স্থাপনার নিরাপত্তায়ও দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবির এমন তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা অগ্নিকাণ্ডের সময় ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে না দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরার তালায় বজ্রপাতে কৃষক নিহত

আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক, পাশে দাঁড়াল বিজিবি

আপলোড সময় ১১:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনায় রাতভর আগুন নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার ও নিরাপত্তায় এক প্লাটুন বিজিবি

রাতের আঁধারে বড় বাজারে যখন আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ছিল একের পর এক দোকান, তখন আতঙ্কিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উদ্ধারকাজ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতভর কাজ করেন বিজিবি সদস্যরা।

গতরাত আনুমানিক ৯টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার বড় বাজারের খাসিমহল এলাকায় মজুমদার ইলেকট্রনিক্সসহ কয়েকটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারীর নির্দেশে এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। একই সঙ্গে আগুনের বিস্তার ঠেকানো, দোকান ও স্থাপনার মালামাল রক্ষা এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর রাত ২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে মজুমদার ইলেকট্রনিক্স, সুচিত্রা খেলনা ঘরসহ মোট ছয়টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতার মধ্যেও বিজিবির সদস্যরা শুধু আগুন নিয়ন্ত্রণেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মালামাল উদ্ধারে সহায়তা এবং আশপাশের দোকানপাট ও স্থাপনার নিরাপত্তায়ও দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবির এমন তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা অগ্নিকাণ্ডের সময় ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে না দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।