ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে তালার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ স্বপদে বহাল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ নির্দেশনা লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল খুলনায় রেলস্টেশনের সামনে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার সাংবাদিক সুরুজ আলীর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের খুলনায় ৯ সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য: ১৫ দিনে গ্রেপ্তার ১৮৪, তবু অধরা শীর্ষ গডফাদাররা রাজশাহী ‘ম্যাঙ্গো লাভার’ ই-কমার্স কার্যালয়ে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক আটক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল খুলনায় বাসের টিকিট কালেক্টরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বিজিবির

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ও একতরফা কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সতর্কতা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি ফেনী, পঞ্চগড়, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত সংস্কারের নামে বিএসএফের একতরফা তৎপরতা রুখে দিয়েছে বিজিবি। এসব ঘটনায় বিজিবি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বিজিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সব পথে দিনরাত কঠোর নজরদারি চলছে। জিরো টলারেন্স নীতির আওতায় কোনো আগ্রাসনই সহ্য করা হবে না।” এই নীতির অংশ হিসেবে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, টহল বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বিএসএফের ফেন্সিং নির্মাণসহ বিভিন্ন আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে বিজিবি সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলেও বিজিবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ এখন আর সীমান্তে নীরব দর্শক নয়।
বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশনায় এই জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন চলছে বলে জানা গেছে। সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দু’পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বিজিবির।
এদিকে, সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে বিজিবির এই অবস্থানকে স্বাগত জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, এই নীতির ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও আগ্রাসন কমে আসবে।
আরও পড়ুন: বিএসএফের আগ্রাসন ঠেকাতে প্রস্তুত বিজিবি।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দবাজার পত্রিকায় শিরোনামঃ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ইস্তফায় ‘জলঘোলা’ হচ্ছে বাংলাদেশে

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বিজিবির

আপলোড সময় ১০:১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ও একতরফা কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সতর্কতা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি ফেনী, পঞ্চগড়, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত সংস্কারের নামে বিএসএফের একতরফা তৎপরতা রুখে দিয়েছে বিজিবি। এসব ঘটনায় বিজিবি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বিজিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সব পথে দিনরাত কঠোর নজরদারি চলছে। জিরো টলারেন্স নীতির আওতায় কোনো আগ্রাসনই সহ্য করা হবে না।” এই নীতির অংশ হিসেবে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, টহল বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বিএসএফের ফেন্সিং নির্মাণসহ বিভিন্ন আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে বিজিবি সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলেও বিজিবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ এখন আর সীমান্তে নীরব দর্শক নয়।
বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশনায় এই জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন চলছে বলে জানা গেছে। সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দু’পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বিজিবির।
এদিকে, সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে বিজিবির এই অবস্থানকে স্বাগত জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, এই নীতির ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও আগ্রাসন কমে আসবে।
আরও পড়ুন: বিএসএফের আগ্রাসন ঠেকাতে প্রস্তুত বিজিবি।