গত ১৪ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে দৈনিক যশোর বার্তা পত্রিকায় সাতক্ষীরা হিসাবরক্ষকণ কার্যালয় সুপার তাজউদ্দীন ও অস্থায়ী শ্রমিক গৌতমের অপকর্মের ফিরিস্তি ও ১৩ ই সেপ্টেম্বর অনলাইন দৈনিক সাতক্ষীরা তথ্য ঘুষ সিন্ডিকেটে জিম্মি হিসাবরক্ষণ অফিস শিরোনামে মনগড়া ও বানোয়াট সাজানো সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ দুটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, উক্ত দুটি সংবাদের সকল তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বানোয়াট। প্রতিবেদক অন্যের প্ররোচনায় প্রভাবিত হয়ে এবং ভুল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের দৈনন্দিন কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া, সাধারণত ডিএএফও সাতক্ষীরা কার্যালয়ের প্রতি দিনের গৃহিত কাজ প্রতিদিন শেষ করা হয়। আইবাস সিস্টেমে অনলাইনে বেতনভাতা ও অন্যান্য বিল ডিডিও কর্তৃক দাখিল করা হয় এবং হিসাবরক্ষণ কার্যালয় হতে অনলাইনে ডিডিও/এসডিও এর ব্যাংক হিসাবে ইএফটি এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়, যা মাসের পর মাস কৃত্রিম অজুহাতে ঝুলিয়ে রাখা, মধ্যবর্তী পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা (এসএএস সুপার) কর্তৃক বিল ও অন্যান্য বিষয় আইবাস,এ আটকে রাখা আদৌও সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে কাজের বিনিময়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘুস গ্রহণ করার কোনো প্রকার সুযোগ নাই। গৌতম এর আইবাস, আইডি না থাকায় তার পক্ষে কোনো কম্পিউটারে কাজ করা বা অনিয়ম করার অবকাশ নাই।
তাছাড়া সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিগত ০৩ বছর যাবৎ আমি মোঃ তাজউদ্দীন এসএএস সুপার হিসাবে একার্যালয়ে কর্মরত ছিলাম না।
প্রকৃতপক্ষে এ কার্যালয়ে তার যোগদানের তারিখ ০১/০৫/২০২৫খ্রি: তারিখে। অফিসের কোনো কাজ পেন্ডিং না থাকলেও সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে ঢালাওভাবে অভিযোগ করে সংবাদটা প্রকাশ করা হয়েছে। মূল কথা হলো, নতুন জেলা একাউন্টস্ এন্ড ফিন্যান্স অফিসার হিসাবে সাতক্ষীরা মাত্র ২১দিন পূর্বে যোগদান করেছেন। উদ্দেশ্য মূলকভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। সাতক্ষীরা হটিকালচার সেন্টারের উপ সহকারী উদ্যান কর্মকর্তা ডেপুটেশনে সাতক্ষীরা থাকলেও তার বেতনভাতা ও অন্যান্য ভাতাদি পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকে প্রদান করা হয়। তিনি প্রকল্পে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তা। তিনি ২৩ জুন ২০২৪ থেকে ডেপুটেশনে সাতক্ষীরাতে কর্মরত ছিলেন, ২০২৫ সালে উক্ত প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার কখনও কোনো বেতন ভাতা সাতক্ষীরা জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে প্রদান করা হয়নি।
এমনকি তিনি কখনো একার্যালয়ে আসেননি।
যেখানে এলপিসির প্রয়োজনীয়তা নেই সেখানে এলপিসি ইস্যুর নামে অর্থ দাবীর অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত । ঐ প্রতিবেদক একাধিকবার সঙ্গবদ্ধভাবে বিভিন্ন আঙ্গিকে অর্থ আদায়ে ব্যর্থ হয় এবং ধারাবাহিকতায় খবর প্রকাশ করবে বলে হুমকি প্রদান করেন।
পরিশেষে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
প্রতিবাদকারী
মোঃ তাজউদ্দীন
এসএএস সুপার
ডিস্ট্রিক্ট একাউন্টস্ এন্ড ফিন্যান্স অফিস
সাতক্ষীরা।
নির্ভীক সংবাদ ডেস্ক 























