ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে কবুতর ও সমিতি ব্যবসার আড়ালে মাদক চক্রের সন্ধান, ৪৩ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ মা’দ’ক উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নতুন পথচলা পুলিশ পরিদর্শক রেজাউলের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পুলিশে কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ  সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ একীভূত হচ্ছে যশোরের ১৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলনায় অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে মামলার দেড়মাস পর ঢাকা থেকে সেই গৃহবধূকে জীবিত উদ্ধার করল পিবিআই কালিগঞ্জে মাদক সিন্ডিকেটের কবল থেকে সাংবাদিকের ফোন উদ্ধার এএসআই এরশাদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যদি হয় তাবলীগ! রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনে ৫ পাইপগান ও ৪ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার তালার হরিহরনগরে ব্যবসায়ীর উপর মাদকসেবীর হামলা!

সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গবাদি পশু, হাঁসমুরগির পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই কর্মকর্তা ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার ও সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষের বিরুদ্ধে।

সরকারের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ভুয়া সিল স্বাক্ষর ও বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। কাগজ-কলমে পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ দেখিয়ে এবং শিক্ষার্থীদের বড় অঙ্কের সম্মানী ভাতার হিসাব দেখানো হলেও বাস্তবে এক/ দুদিন দায়সারাভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করার অভিযোগ ।

যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র প্রশিক্ষক (পশুপালন) দেবাশীষ সরকার ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার পরষ্পর যোগসাজশ করে প্রকল্পের বিভিন্ন ব্যাচের মেস খরচ সহ অন্যান্য ভাতা আত্মসাৎ করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার চাকরির শুরু থেকে সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রায় ৭ বছর কর্মরত আছেন।
তবে এসব বিষয়ে জেনেও নিশ্চুপ থাকার অভিযোগ আছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। ভুয়া ভর্তি, বিভিন্ন ভাতার রেজিষ্টার জালিয়াতি, শিক্ষার্থীদের মেস খরচ মেরে দেওয়া সহ একাধিক অনিয়ম‌-দুর্নীতির অভিযোগ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। প্রশিক্ষণ কর্মশালায়য় কাগজে-কলমে পূর্ণ উপস্থিতি দেখিয়ে পুরো বরাদ্দের হিসাব ঠিকঠাক দেখানো হয়েছে। শিক্ষার্থী ও সরকারের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে বিলাসী জীবন যাপন করছে এই দুই কর্মকর্তা।

তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, হোস্টেলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করে। অফিসের কোয়ার্টারে বসবাসের সুযোগে হোস্টেলের খাবারো বাসায় নিয়ে যায়। সকালে ও দুপুরের ৬০ জনের খাবার খেলে রাত্রে উপস্থিত থাকে ১৫ থেকে ২০ জন। যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ সিডিউল প্রকাশ না করে অনিমিত ক্লাস করা। প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তিতে জালিয়াতি করে বিশেষজ্ঞ রিসোর্স পার্সনদের ২-১ দিন ক্লাস দিয়ে বাকি ক্লাস মিল্ক ভিটা কোম্পানির লোকদের দিয়ে ক্লাস নেওয়া হয়। ১-২ টি ক্লাস নিয়ে খাতা কলমে বাকিদের উপস্থিত দেখিয়ে প্রশিক্ষক দেবাশীষ ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার দুই কর্মকর্তা ভূয়া বিল ভাউচার তৈরির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব টাকা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।

দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আসাদুজ্জামান ও বিলকিসের মধ্যে দুটি গ্রুপ তৈরি হয় এবং অফিসে এনিয়ে ব্যাপক গোলযোগ সৃষ্টি হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে গোলযোগের সৃষ্টিতে একপর্যায়ে বিলকিসের স্বামী সেলিম বহিরাগত লোক নিয়ে অফিসে আসাদুজ্জামান গ্রুপে হামলা করলে উভয়ের মধ্যে ব্যাপক মারামারি হাতাহাতি সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে এবং স্থানীয় ব্যক্তি বর্গের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অফিস সূত্রে জানান, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্বতাদের দ্রুত বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না করলে অফিসে যে কোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদেরকে দ্রুত বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ স্থানীয় সচেতন মহল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যাচে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে সরকারি অর্থ তসরুফ করারও অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। ইতিপূর্বে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে বিলকিসের স্বামী সেলিমের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা পশু কর্মকর্তার সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন।

এসব দুর্নীতির কারণে ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার কে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর ২৪ ইং তারিখে বদলি করা হয় তালা উপজেলায়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে, ৫ মাসের মধ্যে তালা থেকে সাতক্ষীরা সদর
এবং সাতক্ষীরা সদর থেকে ৩ ইং ফেব্রুয়ারি ২৫ ইং তারিখে জেলা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা জেলা অফিসে বদলি হয়ে আসেন।

সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি ও দুর্নীতির কারণে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানকে সাতক্ষীরা থেকে বদলি করা হয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নড়াইল জেলায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে নড়াইল থেকে ২৭ শে নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা অফিসে বদলি হয়ে আসেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তাদের একাধিক বার বদলি করা হলেও কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবারো সাতক্ষীরা জেলা অফিসে বদলি হয়ে আসেন। সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেন দুর্নীতির রসের হাঁড়িতে পরিণত হয়েছে।তাদের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির উন্মোচনে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে মাঠে নেমেছে এই প্রতিবেদক।

এবিষয়ে তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে কবুতর ও সমিতি ব্যবসার আড়ালে মাদক চক্রের সন্ধান, ৪৩ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ মা’দ’ক উদ্ধার

সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপলোড সময় ০৭:৩২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গবাদি পশু, হাঁসমুরগির পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই কর্মকর্তা ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার ও সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষের বিরুদ্ধে।

সরকারের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ভুয়া সিল স্বাক্ষর ও বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। কাগজ-কলমে পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ দেখিয়ে এবং শিক্ষার্থীদের বড় অঙ্কের সম্মানী ভাতার হিসাব দেখানো হলেও বাস্তবে এক/ দুদিন দায়সারাভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করার অভিযোগ ।

যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র প্রশিক্ষক (পশুপালন) দেবাশীষ সরকার ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার পরষ্পর যোগসাজশ করে প্রকল্পের বিভিন্ন ব্যাচের মেস খরচ সহ অন্যান্য ভাতা আত্মসাৎ করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার চাকরির শুরু থেকে সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রায় ৭ বছর কর্মরত আছেন।
তবে এসব বিষয়ে জেনেও নিশ্চুপ থাকার অভিযোগ আছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। ভুয়া ভর্তি, বিভিন্ন ভাতার রেজিষ্টার জালিয়াতি, শিক্ষার্থীদের মেস খরচ মেরে দেওয়া সহ একাধিক অনিয়ম‌-দুর্নীতির অভিযোগ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। প্রশিক্ষণ কর্মশালায়য় কাগজে-কলমে পূর্ণ উপস্থিতি দেখিয়ে পুরো বরাদ্দের হিসাব ঠিকঠাক দেখানো হয়েছে। শিক্ষার্থী ও সরকারের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে বিলাসী জীবন যাপন করছে এই দুই কর্মকর্তা।

তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, হোস্টেলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করে। অফিসের কোয়ার্টারে বসবাসের সুযোগে হোস্টেলের খাবারো বাসায় নিয়ে যায়। সকালে ও দুপুরের ৬০ জনের খাবার খেলে রাত্রে উপস্থিত থাকে ১৫ থেকে ২০ জন। যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ সিডিউল প্রকাশ না করে অনিমিত ক্লাস করা। প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তিতে জালিয়াতি করে বিশেষজ্ঞ রিসোর্স পার্সনদের ২-১ দিন ক্লাস দিয়ে বাকি ক্লাস মিল্ক ভিটা কোম্পানির লোকদের দিয়ে ক্লাস নেওয়া হয়। ১-২ টি ক্লাস নিয়ে খাতা কলমে বাকিদের উপস্থিত দেখিয়ে প্রশিক্ষক দেবাশীষ ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার দুই কর্মকর্তা ভূয়া বিল ভাউচার তৈরির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব টাকা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।

দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আসাদুজ্জামান ও বিলকিসের মধ্যে দুটি গ্রুপ তৈরি হয় এবং অফিসে এনিয়ে ব্যাপক গোলযোগ সৃষ্টি হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে গোলযোগের সৃষ্টিতে একপর্যায়ে বিলকিসের স্বামী সেলিম বহিরাগত লোক নিয়ে অফিসে আসাদুজ্জামান গ্রুপে হামলা করলে উভয়ের মধ্যে ব্যাপক মারামারি হাতাহাতি সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে এবং স্থানীয় ব্যক্তি বর্গের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অফিস সূত্রে জানান, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্বতাদের দ্রুত বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না করলে অফিসে যে কোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদেরকে দ্রুত বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ স্থানীয় সচেতন মহল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যাচে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে সরকারি অর্থ তসরুফ করারও অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। ইতিপূর্বে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান ও ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে বিলকিসের স্বামী সেলিমের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা পশু কর্মকর্তার সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন।

এসব দুর্নীতির কারণে ক্যাশিয়ার বিলকিস আক্তার কে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর ২৪ ইং তারিখে বদলি করা হয় তালা উপজেলায়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে, ৫ মাসের মধ্যে তালা থেকে সাতক্ষীরা সদর
এবং সাতক্ষীরা সদর থেকে ৩ ইং ফেব্রুয়ারি ২৫ ইং তারিখে জেলা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা জেলা অফিসে বদলি হয়ে আসেন।

সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি ও দুর্নীতির কারণে প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানকে সাতক্ষীরা থেকে বদলি করা হয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নড়াইল জেলায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে নড়াইল থেকে ২৭ শে নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরা অফিসে বদলি হয়ে আসেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তাদের একাধিক বার বদলি করা হলেও কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবারো সাতক্ষীরা জেলা অফিসে বদলি হয়ে আসেন। সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেন দুর্নীতির রসের হাঁড়িতে পরিণত হয়েছে।তাদের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির উন্মোচনে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে মাঠে নেমেছে এই প্রতিবেদক।

এবিষয়ে তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।