ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গেজেটে প্রকাশিত হলো ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমিনের নাম তালায় নারীর প্রতি সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংলাপ সভা এইচএসসি ও সমমানে ঠাকুরগাঁওয়ের ৯ কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁয়ে ভোটের মাঠে শিক্ষকের প্রচার, বিভাগীয় মামলা করতে ইসির নির্দেশ পাটকেলঘাটা বাজারে মাংসের খাটিয়া অরক্ষিত রাখার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার ঠাকুরগাঁওয়ে ধানক্ষেত থেকে তাঁতি দল নেতার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আমার কোনো দুর্নাম নেই, তারপরও ভাইরাল করা হচ্ছে—এটা মানহানিকর’: রাজারহাটের ইউএনও তানজিলা তাসনিম আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদে তেজগাঁও প্রেসক্লাবের ক্ষোভ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তা বদলি

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ: ঢাকা কলেজ কেন্দ্র থেকে আটক ৫০ পরীক্ষার্থী

খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে ঢাকা কলেজ কেন্দ্র থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে পরীক্ষা চলাকালে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, আটক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ২৮ জনকে পরীক্ষার হলের ভেতর থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক করা হয়। এছাড়া কলেজের মূল ফটক থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আরও ২২ জনকে আটক করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র অভিনব পদ্ধতিতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠিয়ে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। সন্দেহের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ডিভাইস ও সন্দেহজনক মেসেজ উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষার্থীরা হলের ভেতর থেকে প্রশ্নপত্র স্ক্যান করে বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করছিল এবং বাইরে থেকে উত্তর সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ফৌজদারি দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় ১৬ জনকে ১ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম জানান, জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় এ ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতি প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

গেজেটে প্রকাশিত হলো ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমিনের নাম

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ: ঢাকা কলেজ কেন্দ্র থেকে আটক ৫০ পরীক্ষার্থী

আপলোড সময় ০৮:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে ঢাকা কলেজ কেন্দ্র থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে পরীক্ষা চলাকালে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, আটক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ২৮ জনকে পরীক্ষার হলের ভেতর থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক করা হয়। এছাড়া কলেজের মূল ফটক থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আরও ২২ জনকে আটক করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র অভিনব পদ্ধতিতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠিয়ে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। সন্দেহের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ডিভাইস ও সন্দেহজনক মেসেজ উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষার্থীরা হলের ভেতর থেকে প্রশ্নপত্র স্ক্যান করে বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করছিল এবং বাইরে থেকে উত্তর সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ফৌজদারি দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় ১৬ জনকে ১ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম জানান, জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় এ ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতি প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।