রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাজী নুরুল আলম। নামে হাজী হলেও পেশায় সে একজন সুদকারবারী। তার চড়া লাভের সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে অনেকই হয়েছে ঘর-বাড়ি ছাড়া। ভুক্তভুগীরা জানান নুরুল আলম জীবনের শুরুতে আর্মিতে যোগদান করে ট্রেনিংরত অবস্থায় ওখান থেকে পলায়ন করার মাধ্যমে অপরাধ জগতে পা রাখেন এই বিশিষ্ট সুদি মহাজন। মানুষের উপর জোর জুলুম করা, অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ নষ্ট করা, চড়া সুদে গরিব অসহায় মানুষকে টাকা প্রদান করা এমনকি গৃহপালিত পশুকেও নির্মমভাবে হত্যা করা এসব তার নিত্যদিনের ব্যাপার। এমনও আছে সামান্য দশ হাজার টাকার সুদ হিসেবে এক লাখ কিংবা তারও বেশি আদায় করেছিল। সুদের টাকা জোগাড় করতে না পেরে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে জৈনক একব্যক্তির।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে তার বাড়িতে ডাকে আব্দুস সালাম নামের এক গ্রাহককে।সে একই এলাকার বাসিন্দা।ও পেশায় একজন দিনমজুর। সে জানান তাকে ঘরে বন্দী করে নির্যাতন করে একপর্যায়ে তাকে বাড়িতে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে পিছন থেকে আঘাত করে, পরে সেই আঘাতে সোফাতে লুটিয়ে পরে দীর্ঘ ২ ঘন্টা অজ্ঞান অবস্থায় ছিল। পরে থাকে খুঁজাখুজির এক পর্যায়ে তার স্ত্রী ও ভাই সেই আলমের ঘরে গিয়ে দেখতে পান। এরপর এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্বার করে।পরে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা সুদিকারবারী আলম এর বাসায় গিয়ে জানতে চাইলে সে অকাট্য ভাষায় গালাগালি করে।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী বলেন আলম তার সাথেও এমন কাজ করেছে,লোক লজ্জার ভয়ে সে জায়গা বিক্রি করে তার সুদের মুনাফা পরিষোধ করে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সুদি আলম আমাদের এ প্রতিনিধিকে বলেন সে এটা গরীব মানুষের দুঃখের সময় পাশে থাকে এবং টাকার বিনিময়ে মাসিক কিস্তিতে টাকা দেন। যার প্রমাণ হিসেবে তার কাছে একটি খাতায় লিপিবদ্ধ করে।
সুদ কারবারি আলমের বউ বলেন আমি হজ্জ ওমরাহ করেছি, আমার স্বামীকে আমার পরিবারে সকল সদস্যরা এই ব্যবসা না করার কথা বললেও সে এগুলো লোভে পরে করে। তার সাথে নামে মাত্র আমাদের সম্পর্ক।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুস সালাম বলেন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা উদ্ধার পরবর্তী আমাকে আশ্বাস দেন এলাকায় সামাজিক ভাবে এটা সমাধান হবে, যদি তা না হয় তাহলে আমি আইনের শরণাপন্ন হবো।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















