নারায়ণগঞ্জে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় এ+ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভা অডিটোরিয়ামে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় এ+ পাওয়া শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আকরাম হোসেন। সঞ্চালনা করেন হাসিবুল ইসলাম সিফাত।
অনুষ্ঠানে এ+ পাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীও বক্তব্য দেন। তাঁরা নিজেদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করাই জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়; অর্জিত জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতাকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোই প্রকৃত সাফল্য।
তাঁরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। পিতা-মাতা সন্তানের জন্য যে ত্যাগ ও পরিশ্রম করেন, তা মনে রেখে তাঁদের সম্মান করা এবং তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে সচেষ্ট হওয়া প্রত্যেক সন্তানের দায়িত্ব। একই সঙ্গে দেশ ও সমাজের প্রতি নিজের কর্তব্য সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। জীবনে যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম যেন কখনো হারিয়ে না যায়।
তাঁরা কৃতী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতাকে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। শিক্ষাজীবনের এই সাফল্যকে ভবিষ্যৎ জীবনের বৃহত্তর দায়িত্ব পালনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার জন্যও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ 























