ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে সুমির বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ! কোলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের মাঝে গ্রুপিংয়ের নোংরামি চূড়ান্ত পর্যায়ে! সাতক্ষীরার বহুরুপী চৈতালি মুখার্জি, কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি! হাইব্রিড নেত্রী  সাতক্ষীরা এলজিইডির মুকুট হীন রাজা হাওলাদারের দুর্নীতির শিকড় কত গভীরে? জাতীয় জনতা পার্টির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খানের মাজার জিয়ারত যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১৬৮৪ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন যশোরে তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রবাসী স্বামীর আইনি লড়াই এভাবে আর কোনো পুলককে  গণমাধ্যম অঙ্গন থেকে হারাতে চাই না সাতরাস্তা ফ্লাইওভারে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আহত রূপগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শূট্যার শাকিল গ্রেপ্তার
এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম

ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ‘মরণফাঁদ

ভারত কর্তৃক নির্মিত ফারাক্কা বাঁধকে বাংলাদেশের জন্য “মরণফাঁদ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বে ভারত কর্তৃক ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল যা এখনো প্রাসঙ্গিক। সে সময় দেশের মানুষ “ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও/মরণ বাঁধ ফারাক্কা” স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছিল।

এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর থেকে বাংলাদেশের নদ-নদী, কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণ, নদী ভাঙন, নাব্যতা সংকট ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন, মৎস্য সম্পদ এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত ১৯৭৭ সালে পাঁচ বছর মেয়াদি পানি বণ্টন চুক্তি করলেও বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত হয়নি। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে সমঝোতা স্মারক এবং ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টনে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বাস্তবে বাংলাদেশ তার প্রাপ্য পানি পায়নি। চলতি বছর সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে কার্যকর ও ন্যায্য পানি বণ্টন চুক্তির দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব বলেন, আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অধিকার। এ বিষয়ে সরকারকে আরও কার্যকর, দৃঢ় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে সুমির বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ !

এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম

ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ‘মরণফাঁদ

আপলোড সময় ১১:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ভারত কর্তৃক নির্মিত ফারাক্কা বাঁধকে বাংলাদেশের জন্য “মরণফাঁদ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বে ভারত কর্তৃক ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল যা এখনো প্রাসঙ্গিক। সে সময় দেশের মানুষ “ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও/মরণ বাঁধ ফারাক্কা” স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছিল।

এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর থেকে বাংলাদেশের নদ-নদী, কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণ, নদী ভাঙন, নাব্যতা সংকট ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন, মৎস্য সম্পদ এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত ১৯৭৭ সালে পাঁচ বছর মেয়াদি পানি বণ্টন চুক্তি করলেও বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত হয়নি। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে সমঝোতা স্মারক এবং ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টনে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বাস্তবে বাংলাদেশ তার প্রাপ্য পানি পায়নি। চলতি বছর সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে কার্যকর ও ন্যায্য পানি বণ্টন চুক্তির দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব বলেন, আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অধিকার। এ বিষয়ে সরকারকে আরও কার্যকর, দৃঢ় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।