ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার ঠাকুরগাঁওয়ে ধানক্ষেত থেকে তাঁতি দল নেতার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আমার কোনো দুর্নাম নেই, তারপরও ভাইরাল করা হচ্ছে—এটা মানহানিকর’: রাজারহাটের ইউএনও তানজিলা তাসনিম আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদে তেজগাঁও প্রেসক্লাবের ক্ষোভ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তা বদলি যাত্রাবাড়ীতে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের মুঠোফোন নেওয়ার অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ধামরাই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার তোড়জোড়, আবদুল আলিমকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ: জবাবদিহির মুখে বিএনপি নেতা? পরকীয়া ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ ‎তালা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ১নারী কর্মীর স্ট্যান্ড রিলিজ : আদেশ বাতিল করতে টাকার ব্যাগ নিয়ে দৌড়ঝাপ নওগাঁয় শালিকাকে বিয়ের ঘটনায় আইনজীবী সহকারী মাসুদ রানাকে সেরেস্তা থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা সাতক্ষীরায় যৌতুকের  দাবিতে স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে হত্যার দায়ে আব্দুর রউফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত

যশোরে তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রবাসী স্বামীর আইনি লড়াই

দাম্পত্য সম্পর্ক, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে বিরোধের ঘটনায় DNA পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শার্শা উপজেলার ৪নং ঘিবা ইউনিয়নের মোসলেম আলীর ছেলে শামছুর রহমান। তার অভিযোগ, বিদেশে অবস্থানকালে তাকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৯ মার্চে শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মফিজুল ইসলামের মেয়ে জেরিন তাসনিম নামের এক নারীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বিয়ের পর কাজের সূত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করতে থাকেন।তিনি জানান,শার্শা উপজেলার কমপক্ষে ১০ জন ছেলের সাথে জেরিনের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে।এবং ১ম স্বামী থাকার পরও জেরিন গোপনের ২০২২ সালে বিবাহ করেন এবং ২০২৬ সালে তালাক দেয় ১ম স্বামী শামছুর কে।
‎
‎এবং তার কাছ থেকে জেরিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দ্বীতীয় বিবাহ করেন।এবং শামছুর বলেন তার নিকাহ নামাহ নিয়ে তার শ্বশুর বিভিন্নভাবে তাকে হয়রানী করছে।বার বার কাগজ চাইলে তার শ্বশুর দিতে চাচ্ছে না।এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ঘটনায় শামছুর বেনাপোল পোর্ট থানা,শার্শা থানা ও ঝিকরগাছা থানায় জিডি করেছে বলে জানান।
‎তিনি দাবি করেন, বিদেশে অবস্থানকালে তার স্ত্রীর সঙ্গে ইজলাল নামের এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি বিদেশে অবস্থান করার সময় ওই ব্যক্তি একাধিকবার তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন।
‎অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, তাকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর জেরিন ও ইজলাল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যশোরের ঝিকরগাছা এলাকায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
‎তিনি দাবি করেন, স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ওই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এবং ইজলালের দুই বন্ধু সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর ওই দুজন ভারত ভ্রমণেও যান।
‎তবে দ্বিতীয় বিয়ে, ভ্রমণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী, তার পরিবার কিংবা অভিযোগে নাম উল্লেখ করা অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
‎
‎জিডি কপিতে ৫হাজার ডলার দেওয়া আছে…
‎শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার জিডি কপিতে বিস্তারিত…
‎দেশে ফেরার পর বিরোধ তীব্র হওয়ার অভিযোগ
‎অভিযোগকারীর দাবি, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পর এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ আরও তীব্র হয়।
‎তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় তাকে চাপ প্রয়োগ করে পুনরায় বিয়ে ও নতুন কাবিননামা সম্পাদনে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তার কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
‎তার আরও অভিযোগ, স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হয় এবং এতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়।
‎অভিযোগকারী দাবি করেন, বেনাপোলে ভাড়া বাসায় থাকার সময় তিনি যে বিভিন্ন আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি সামগ্রী কিনেছিলেন, সেগুলো বর্তমানে স্ত্রীর পরিবারের কাছে রয়েছে।
‎তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরও দাম্পত্য কলহের অভিযোগ
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি তার স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। তবে সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব ও বিরোধ বাড়তে থাকে।
‎তিনি অভিযোগ করেন, স্ত্রীর চলাফেরা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার পর একপর্যায়ে তার স্ত্রী বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলেও দাবি করেন তিনি।
‎তবে অভিযোগকারীর এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নারীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
‎সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, DNA পরীক্ষার দাবি
‎অভিযোগকারীর দাবি, বর্তমানে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। তবে ওই সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
‎তিনি অভিযোগ করেন, সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়ে ভিন্ন তথ্য সামনে আসায় তিনি বিষয়টি আইনগত ও বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করতে DNA পরীক্ষা করানোর দাবি জানিয়েছেন।
‎অভিযোগকারী জানান, অনুমোদিত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে DNA পরীক্ষা করিয়ে সন্তানের প্রকৃত পিতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়ে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন।
‎আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অভিযোগকারী
‎অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।
‎তার ভাষ্য অনুযায়ী, দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থায় আইনগত পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
‎এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী, তার পরিবারের সদস্য এবং অভিযোগে নাম উল্লেখ করা অন্যান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
‎বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ ও বক্তব্যগুলো অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত দাবি ও ভাষ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
‎

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার

যশোরে তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রবাসী স্বামীর আইনি লড়াই

আপলোড সময় ০২:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাম্পত্য সম্পর্ক, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে বিরোধের ঘটনায় DNA পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শার্শা উপজেলার ৪নং ঘিবা ইউনিয়নের মোসলেম আলীর ছেলে শামছুর রহমান। তার অভিযোগ, বিদেশে অবস্থানকালে তাকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৯ মার্চে শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মফিজুল ইসলামের মেয়ে জেরিন তাসনিম নামের এক নারীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বিয়ের পর কাজের সূত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করতে থাকেন।তিনি জানান,শার্শা উপজেলার কমপক্ষে ১০ জন ছেলের সাথে জেরিনের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে।এবং ১ম স্বামী থাকার পরও জেরিন গোপনের ২০২২ সালে বিবাহ করেন এবং ২০২৬ সালে তালাক দেয় ১ম স্বামী শামছুর কে।
‎
‎এবং তার কাছ থেকে জেরিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দ্বীতীয় বিবাহ করেন।এবং শামছুর বলেন তার নিকাহ নামাহ নিয়ে তার শ্বশুর বিভিন্নভাবে তাকে হয়রানী করছে।বার বার কাগজ চাইলে তার শ্বশুর দিতে চাচ্ছে না।এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ঘটনায় শামছুর বেনাপোল পোর্ট থানা,শার্শা থানা ও ঝিকরগাছা থানায় জিডি করেছে বলে জানান।
‎তিনি দাবি করেন, বিদেশে অবস্থানকালে তার স্ত্রীর সঙ্গে ইজলাল নামের এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি বিদেশে অবস্থান করার সময় ওই ব্যক্তি একাধিকবার তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন।
‎অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, তাকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর জেরিন ও ইজলাল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যশোরের ঝিকরগাছা এলাকায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
‎তিনি দাবি করেন, স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ওই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এবং ইজলালের দুই বন্ধু সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর ওই দুজন ভারত ভ্রমণেও যান।
‎তবে দ্বিতীয় বিয়ে, ভ্রমণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী, তার পরিবার কিংবা অভিযোগে নাম উল্লেখ করা অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
‎
‎জিডি কপিতে ৫হাজার ডলার দেওয়া আছে…
‎শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার জিডি কপিতে বিস্তারিত…
‎দেশে ফেরার পর বিরোধ তীব্র হওয়ার অভিযোগ
‎অভিযোগকারীর দাবি, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পর এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ আরও তীব্র হয়।
‎তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় তাকে চাপ প্রয়োগ করে পুনরায় বিয়ে ও নতুন কাবিননামা সম্পাদনে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তার কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
‎তার আরও অভিযোগ, স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হয় এবং এতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়।
‎অভিযোগকারী দাবি করেন, বেনাপোলে ভাড়া বাসায় থাকার সময় তিনি যে বিভিন্ন আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি সামগ্রী কিনেছিলেন, সেগুলো বর্তমানে স্ত্রীর পরিবারের কাছে রয়েছে।
‎তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরও দাম্পত্য কলহের অভিযোগ
‎অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি তার স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। তবে সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব ও বিরোধ বাড়তে থাকে।
‎তিনি অভিযোগ করেন, স্ত্রীর চলাফেরা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার পর একপর্যায়ে তার স্ত্রী বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলেও দাবি করেন তিনি।
‎তবে অভিযোগকারীর এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নারীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
‎সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, DNA পরীক্ষার দাবি
‎অভিযোগকারীর দাবি, বর্তমানে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। তবে ওই সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
‎তিনি অভিযোগ করেন, সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়ে ভিন্ন তথ্য সামনে আসায় তিনি বিষয়টি আইনগত ও বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করতে DNA পরীক্ষা করানোর দাবি জানিয়েছেন।
‎অভিযোগকারী জানান, অনুমোদিত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে DNA পরীক্ষা করিয়ে সন্তানের প্রকৃত পিতৃত্ব নির্ধারণের বিষয়ে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন।
‎আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অভিযোগকারী
‎অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।
‎তার ভাষ্য অনুযায়ী, দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থায় আইনগত পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
‎এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী, তার পরিবারের সদস্য এবং অভিযোগে নাম উল্লেখ করা অন্যান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
‎বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ ও বক্তব্যগুলো অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত দাবি ও ভাষ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
‎