ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অপপ্রচার ও মানহানী করায় ৪ জনকে আসামী করে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করলো মানব কল্যাণ পরিষদ চেয়ারম্যান মান্নান ভূঁইয়া প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে মঙ্গলবার নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে সিলেট কপোতাক্ষের ভাঙনে তালার ৪ গ্রামে আতঙ্ক তিন দিন ধরে বাঁধ আগলে আছে মানুষ, প্রশাসনের দেখা নেই! সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে সুমির বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ! কোলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের মাঝে গ্রুপিংয়ের নোংরামি চূড়ান্ত পর্যায়ে! সাতক্ষীরার বহুরুপী চৈতালি মুখার্জি, কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি! হাইব্রিড নেত্রী  সাতক্ষীরা এলজিইডির মুকুট হীন রাজা হাওলাদারের দুর্নীতির শিকড় কত গভীরে?

ভূমি সেবা পেতে আর হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

জনগণকে ভূমি সেবা পেতে আর হয়রানি ও দুর্নীতি শিকার হতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার তেজগাঁও ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথেই ভূমি ব্যবস্থাপনাও আধুনিকায়ন হয়েছে। সেবাগ্রহীতাগণ নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বর্তমানে ঘরে বসেই অনলাইনে সম্পন্ন করতে সুযোগ পাচ্ছেন।

এমনকি যারা অনলাইনে নিজের জমিজমার খাজনা প্রদান কিংবা প্রয়োজনীয় কার্যক্রমগুলো করতে সক্ষম নন, তাদের জন্যও রয়েছে ভূমি সহায়তা সেবা কেন্দ্র।
তিনি আরও বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পরিচালনায় ইতোমধ্যেই দেশের ৬১টি জেলায় বর্তমানে ৮৯৩টি ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত সেবামূল্যের বিনিময়ে নাগরিকগণ সহজেই ভূমি সেবার আবেদন করতে পারছেন এবং সরকারি ফি পরিশোধ করতেও সক্ষম হচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে এ ধরনের আরও ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এবং একই সাথে পাশাপাশি নাগরিকদের হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে মোবাইল অ্যাপ। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভূমি’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমি জমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর করা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও খুব সম্ভবত তত বেশি সহজ হয়ে যায়। জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকাংশেই লাঘব পাবে।

একই সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে, ইনশাআল্লাহ। চলমান এই ভূমি সেবা মেলা আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিকদেরকে নিজেদের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।
তিনি বলেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। একই সঙ্গে ভূমি প্রশাসনের প্রায় সকল সেবাকে ডিজিটাল প্লাটফর্মে নিয়ে এসে নাগরিকদের জন্য সেবা গ্রহণকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা যেখানে ভূমি সেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে আর অযথা অফিসে ঘুরতে হবে না এবং দুর্নীতি কিংবা হয়রানির শিকারও হতে হবে না।

উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করতে সংশ্লিষ্ট জনবলকে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। ’
এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’।

এ মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সেবাগুলো পৌঁছে দেওয়া।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

অপপ্রচার ও মানহানী করায় ৪ জনকে আসামী করে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করলো মানব কল্যাণ পরিষদ চেয়ারম্যান মান্নান ভূঁইয়া

ভূমি সেবা পেতে আর হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

আপলোড সময় ০১:৫১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

জনগণকে ভূমি সেবা পেতে আর হয়রানি ও দুর্নীতি শিকার হতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার তেজগাঁও ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথেই ভূমি ব্যবস্থাপনাও আধুনিকায়ন হয়েছে। সেবাগ্রহীতাগণ নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বর্তমানে ঘরে বসেই অনলাইনে সম্পন্ন করতে সুযোগ পাচ্ছেন।

এমনকি যারা অনলাইনে নিজের জমিজমার খাজনা প্রদান কিংবা প্রয়োজনীয় কার্যক্রমগুলো করতে সক্ষম নন, তাদের জন্যও রয়েছে ভূমি সহায়তা সেবা কেন্দ্র।
তিনি আরও বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পরিচালনায় ইতোমধ্যেই দেশের ৬১টি জেলায় বর্তমানে ৮৯৩টি ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত সেবামূল্যের বিনিময়ে নাগরিকগণ সহজেই ভূমি সেবার আবেদন করতে পারছেন এবং সরকারি ফি পরিশোধ করতেও সক্ষম হচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে এ ধরনের আরও ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এবং একই সাথে পাশাপাশি নাগরিকদের হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে মোবাইল অ্যাপ। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভূমি’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমি জমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর করা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও খুব সম্ভবত তত বেশি সহজ হয়ে যায়। জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকাংশেই লাঘব পাবে।

একই সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে, ইনশাআল্লাহ। চলমান এই ভূমি সেবা মেলা আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিকদেরকে নিজেদের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।
তিনি বলেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। একই সঙ্গে ভূমি প্রশাসনের প্রায় সকল সেবাকে ডিজিটাল প্লাটফর্মে নিয়ে এসে নাগরিকদের জন্য সেবা গ্রহণকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা যেখানে ভূমি সেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে আর অযথা অফিসে ঘুরতে হবে না এবং দুর্নীতি কিংবা হয়রানির শিকারও হতে হবে না।

উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করতে সংশ্লিষ্ট জনবলকে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। ’
এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’।

এ মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সেবাগুলো পৌঁছে দেওয়া।