ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে মাকে গুলি যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনি যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে খুলনা বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ পিস ইয়াবা, ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার খুলনায় ¬খাদ্য কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা ।। বাধ্য করা হচ্ছে মাদকসেবনে দ্রুতগতির পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাছবাহী ভ্যানের আরোহীর সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার বিরোধী দল হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: রংপুরে মির্জা ফখরুল দণ্ডিতদের তথ্য নিয়ে উন্মুক্ত ডেটাবেজ কেন নয়, হাই কোর্টের রুল

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনি

  • সেলিম পলাশ
  • আপলোড সময় ১১:০৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • 19

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ১১টি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাই স্কুল থেকে চারজন ও ডুমুরিয়া উপজেলার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই ফেল করেছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম সরদার বলেন, তার স্কুলে চারজন ছাত্র এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেছে। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, তারা লেখাপড়ায় অমনযোগী ছিল এবং তাদের অভিভাবকরাও উদাসীন। শত চেষ্টা করেও তাদের পাশ করানো যায়নি। এছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলার ডি. এন. একতা গার্লস হাই স্কুল থেকে দুইজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে পারেনি।
যশোর বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা নাইশা মাধ্যমিক স্কুল থেকে ৭ জন অংশ নিয়েছিলেন, তারা সবাই ফেল করেছে। এছাড়া আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন অংশ নিয়ে শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে।
এছাড়া যশোরের মণিরামপুর চাঁনদুয়া সমাসকাটি গার্লস হাই স্কুল থেকে তিনজন, হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল থেকে একজন, শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাই স্কুল থেকে দুজন ও মুক্তিযোদ্ধা জি. কে. জি. এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি।
শূন্য পাসের বিষয়ে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড। শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে মাকে গুলি

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনি

আপলোড সময় ১১:০৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ১১টি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাই স্কুল থেকে চারজন ও ডুমুরিয়া উপজেলার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই ফেল করেছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম সরদার বলেন, তার স্কুলে চারজন ছাত্র এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেছে। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, তারা লেখাপড়ায় অমনযোগী ছিল এবং তাদের অভিভাবকরাও উদাসীন। শত চেষ্টা করেও তাদের পাশ করানো যায়নি। এছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলার ডি. এন. একতা গার্লস হাই স্কুল থেকে দুইজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে পারেনি।
যশোর বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা নাইশা মাধ্যমিক স্কুল থেকে ৭ জন অংশ নিয়েছিলেন, তারা সবাই ফেল করেছে। এছাড়া আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন অংশ নিয়ে শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে।
এছাড়া যশোরের মণিরামপুর চাঁনদুয়া সমাসকাটি গার্লস হাই স্কুল থেকে তিনজন, হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল থেকে একজন, শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাই স্কুল থেকে দুজন ও মুক্তিযোদ্ধা জি. কে. জি. এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি।
শূন্য পাসের বিষয়ে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড। শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।