ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা ।। বাধ্য করা হচ্ছে মাদকসেবনে

  • খুলনা অফিস
  • আপলোড সময় ১২:১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • 15

খুলনার স্বনামধন্য পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে শিশু শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডি সেকশনের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মোহাম্মাদ আয়মানের মা লায়লা খাতুন এই অভিযোগ করেন।
নগরীর খালিশপুর নেভিগেটের বাসিন্দা লায়লা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ছাত্র গত প্রায় দুইমাস যাবত আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মাদক কেনার জন্য বাধ্য করে এবং জোর করে সিগারেট খাওয়ানোসহ মাদক সেবন করায়।
তিনি বলেন, গত ২ আগস্ট সকাল পৌঁনে ৯টার সময় স্কুল ছুটি শেষে অজ্ঞাতনামা একজন ছাত্র মাদক কেনার জন্য আমার ছেলেকে ৮৬০ টাকা দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে বাসায় এসে উক্ত অজ্ঞাতনামা ছাত্রদের দেওয়া টাকা আমাকে দেখিয়ে বলে মাদক কেনার জন্য অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা তাকে দিয়েছে। তাৎক্ষণিক আমি আমার ছেলেকে কেন দিয়েছে বললে, আমার ছেলে আমাকে বিস্তারিত সবকিছু বলে।
তিনি বলেন, তার ছেলে তাদের জানায়, অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা গত ৩ আগস্ট স্কুলে আসবে মাদক নেওয়ার জন্য। আমার ছেলে আমাদের নিকট আরো জানায় যে, অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। আমার ছেলে বাসা থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তারিখে প্রায় নগদ এক লাখ টাকা এবং ৬ আনা ওজনের দুইটি স্বর্ণের আংটি অজ্ঞাতনামা ঐ ছাত্রদের দিয়েছে।
লায়লা খাতুন আরো বলেন, ছেলের কাছ থেকে এমন লোমহর্ষক ঘটনা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও অন্যান্য শিক্ষকদের অবহিত করি। পরবর্তীতে স্কুলের শিক্ষকরা আমার ছেলেকে নিরাপত্তা দিবে বলে আশ্বস্ত করে। কিন্তু পরের দিন ৩ আগস্ট টিফিন টাইম শুরু হলে আমার ছেলে ক্লাসের বাইরে আসলে অজ্ঞাতনামা উক্ত ছাত্ররা কৌশলে সকল শিক্ষকদের ফাঁকি দিয়ে আমার ছেলেকে সিঁড়ি থেকে তিনতলায় ওয়াশ রুমে নিয়ে গিয়ে মাদক চায়।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার ছেলে মাদক দিতে না পারায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চাকু দিয়ে শরীরের ডান, বাম পায়ের উরু এবং বুকের বাম পাশে আঘাত করে। এতে তার পরণের শার্ট ও প্যান্ট কেটে যায়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত তার শরীরের কোথাও ক্ষত হয়নি। ঘটনার সময় ঐ শিক্ষার্থীরা তাকে বলেছে-ভবিষ্যতে তাদের অবাধ্য হলে এবং বিষয়টি কাউকে অবগত করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এর পরের দিন অজ্ঞাতনামা ঐ ছাত্ররা তার ছেলেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ১০ পিস ইয়াবা এনে দেওয়ার জন্য বলে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনকে অবগত করি এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। এমনকি কলেজের উপাধ্যক্ষ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। পরবর্তীতে উপায়ন্তর না পেয়ে আমার ছেলের জীবনের নিরাপত্তার জন্য খালিশপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগটির তদন্ত চলছে।
লায়লা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তারা বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছেন, ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ছাত্রদের দ্বারা ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়। ছোট বাচ্চাদেরকে জোর করে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে শারিরীক নির্যাতন করা হয়। শিশুদেরকে জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং মাদকদ্রব্য আনতে বাধ্য করায়। শিশু শিক্ষার্থীদরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে গিয়ে শারিরীকভাবে নির্যাতন করে। আর এসব কথা অবিভাবকদের কাছে প্রকাশ করা হলে জীবনে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। যার কারণে শিশু শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাউকে কিছু বলে না। আর এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর কতিপয় ছাত্র জড়িত। এসব কারণে স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে।
এ ব্যাপারে খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মুনীর আব্বাস স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঐ শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রেণী শিক্ষক ও দুইজন ক্লাস শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৩ আগস্ট টিফিন টাইমে আয়মানকে বাথরুমে নিয়ে মারধোরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আয়মানের ব্যাগে একটি ব্লেড ও একটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে, যে নম্বরে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। ফোন নম্বরটি তার সৎ চাচার।

এছাড়া নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর মোট ১৮টি সেকশনে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। কলেজ ম্যাগাজিন ও কম্পিউটারে থাকা স্থির ছবি দেখানো হলেও সে কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি। তবে অভিযোগের গভীর তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ডি সেকশনের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মোহাম্মাদ আয়মানের উপর সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে নগরীর বয়রা এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কয়েক বছর আগে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিপক্ষ শিক্ষার্থীদের ছুরিকাঘাতে একজন ছাত্র নিহত হয়েছিল।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ¬খাদ্য কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখম

খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা ।। বাধ্য করা হচ্ছে মাদকসেবনে

আপলোড সময় ১২:১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার স্বনামধন্য পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে শিশু শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডি সেকশনের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মোহাম্মাদ আয়মানের মা লায়লা খাতুন এই অভিযোগ করেন।
নগরীর খালিশপুর নেভিগেটের বাসিন্দা লায়লা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ছাত্র গত প্রায় দুইমাস যাবত আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মাদক কেনার জন্য বাধ্য করে এবং জোর করে সিগারেট খাওয়ানোসহ মাদক সেবন করায়।
তিনি বলেন, গত ২ আগস্ট সকাল পৌঁনে ৯টার সময় স্কুল ছুটি শেষে অজ্ঞাতনামা একজন ছাত্র মাদক কেনার জন্য আমার ছেলেকে ৮৬০ টাকা দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে বাসায় এসে উক্ত অজ্ঞাতনামা ছাত্রদের দেওয়া টাকা আমাকে দেখিয়ে বলে মাদক কেনার জন্য অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা তাকে দিয়েছে। তাৎক্ষণিক আমি আমার ছেলেকে কেন দিয়েছে বললে, আমার ছেলে আমাকে বিস্তারিত সবকিছু বলে।
তিনি বলেন, তার ছেলে তাদের জানায়, অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা গত ৩ আগস্ট স্কুলে আসবে মাদক নেওয়ার জন্য। আমার ছেলে আমাদের নিকট আরো জানায় যে, অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। আমার ছেলে বাসা থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তারিখে প্রায় নগদ এক লাখ টাকা এবং ৬ আনা ওজনের দুইটি স্বর্ণের আংটি অজ্ঞাতনামা ঐ ছাত্রদের দিয়েছে।
লায়লা খাতুন আরো বলেন, ছেলের কাছ থেকে এমন লোমহর্ষক ঘটনা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও অন্যান্য শিক্ষকদের অবহিত করি। পরবর্তীতে স্কুলের শিক্ষকরা আমার ছেলেকে নিরাপত্তা দিবে বলে আশ্বস্ত করে। কিন্তু পরের দিন ৩ আগস্ট টিফিন টাইম শুরু হলে আমার ছেলে ক্লাসের বাইরে আসলে অজ্ঞাতনামা উক্ত ছাত্ররা কৌশলে সকল শিক্ষকদের ফাঁকি দিয়ে আমার ছেলেকে সিঁড়ি থেকে তিনতলায় ওয়াশ রুমে নিয়ে গিয়ে মাদক চায়।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার ছেলে মাদক দিতে না পারায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চাকু দিয়ে শরীরের ডান, বাম পায়ের উরু এবং বুকের বাম পাশে আঘাত করে। এতে তার পরণের শার্ট ও প্যান্ট কেটে যায়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত তার শরীরের কোথাও ক্ষত হয়নি। ঘটনার সময় ঐ শিক্ষার্থীরা তাকে বলেছে-ভবিষ্যতে তাদের অবাধ্য হলে এবং বিষয়টি কাউকে অবগত করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এর পরের দিন অজ্ঞাতনামা ঐ ছাত্ররা তার ছেলেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ১০ পিস ইয়াবা এনে দেওয়ার জন্য বলে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনকে অবগত করি এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। এমনকি কলেজের উপাধ্যক্ষ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। পরবর্তীতে উপায়ন্তর না পেয়ে আমার ছেলের জীবনের নিরাপত্তার জন্য খালিশপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগটির তদন্ত চলছে।
লায়লা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তারা বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছেন, ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ছাত্রদের দ্বারা ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়। ছোট বাচ্চাদেরকে জোর করে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে শারিরীক নির্যাতন করা হয়। শিশুদেরকে জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং মাদকদ্রব্য আনতে বাধ্য করায়। শিশু শিক্ষার্থীদরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে গিয়ে শারিরীকভাবে নির্যাতন করে। আর এসব কথা অবিভাবকদের কাছে প্রকাশ করা হলে জীবনে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। যার কারণে শিশু শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাউকে কিছু বলে না। আর এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর কতিপয় ছাত্র জড়িত। এসব কারণে স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে।
এ ব্যাপারে খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মুনীর আব্বাস স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঐ শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রেণী শিক্ষক ও দুইজন ক্লাস শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৩ আগস্ট টিফিন টাইমে আয়মানকে বাথরুমে নিয়ে মারধোরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আয়মানের ব্যাগে একটি ব্লেড ও একটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে, যে নম্বরে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। ফোন নম্বরটি তার সৎ চাচার।

এছাড়া নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর মোট ১৮টি সেকশনে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। কলেজ ম্যাগাজিন ও কম্পিউটারে থাকা স্থির ছবি দেখানো হলেও সে কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি। তবে অভিযোগের গভীর তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ডি সেকশনের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মোহাম্মাদ আয়মানের উপর সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে নগরীর বয়রা এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কয়েক বছর আগে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিপক্ষ শিক্ষার্থীদের ছুরিকাঘাতে একজন ছাত্র নিহত হয়েছিল।