ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তালা এসি ল্যান্ড অফিসে প্রকাশ্যে ধূমপানের অভিযোগ নায়েব তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে  ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত খুলনা চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের দাবি ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ঠাকুরগাঁওয়ে ভয়াবহ লোডশেডিং, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন “নিমেষেই হারিয়ে যাওয়া এক নক্ষত্র : আবু সুফিয়ান” খুলনায় নারী ‘মুক্তির আন্দোলন বিস্তৃতিকরণ’ নারীপক্ষ’র সংবাদ সম্মেলন  খুলনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই খুন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার বেহাল দশা: ওষুধ, পরীক্ষা ও চিকিৎসক সংকটে ভোগান্তিতে রোগীরা ড. মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন কারা অধিদপ্তরে ফিরছেন এক-এগারোর আলোচিত সাবেক ডিআইজি শামসুল হায়দার সিদ্দিকী সিলেটে স্বামীর পরকীয়া ও একাধিক বিয়ের প্রতিবাদ করায় হামলা, একের পর এক মামলায় হয়রানির অভিযোগ

ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত খুলনা চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের দাবি ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের

  • খুলনা অফিস
  • আপলোড সময় ০৭:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 19

স্থগিত হওয়া খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেম্বারের পরিচালক প্রার্থী (সাধারণ সদস্য শ্রেণী) এম. বদরুল আনাম খান বলেন, আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন, আইনগতভাবে বৈধ ও নির্মূল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অযাচিত ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল হাই মো. আনাসকে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে ১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিতান কুমার ম-ল নতুন প্রশাসক হিসেবে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ৪০০ সদস্যের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে নতুন প্রশাসকের কাছে সাধারণ ব্যবসায়ীবৃন্দ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এরপর মো. আরিফুল ইসলামকে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে একটি নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড গঠন করা হয়। গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য সংগঠন আইন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে নির্বাচন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তি ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়ন সময় সাপেক্ষ হওয়ায় নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচন স্থগিত করেন এবং পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন। এরপ গত ৩০ এপ্রিল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সাইদ মো. মঞ্জুর আলম খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ৫ মে মো. শাহীনুজ্জামান (পরিচালক- উপসচিব, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, খুলনা) কে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে একটি নতুন নির্বাচন বোর্ড গঠন করেন। নির্বাচন বোর্ড গত ২০ মে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিলে নির্ধারিত তারিখে অস্তিত্বহীন সদস্যসহ সকল নতুন সদস্যদের ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়; যা বাণিজ্য সংগঠন আইনে সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।

তিনি বলেন, প্রতিকারের উদ্দেশ্যে আমি হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করি। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ার শেখ শফিকুল ইসলাম তুহিন সহ ১৫ (পনের) জন সদস্য নির্বাচন আপিল বোর্ডে আবেদন করেন। নির্বাচনী আপিল বোর্ড এতদসংক্রান্ত বিধি-বিধান যাচাই এবং পর্যালোচনা করে নতুন সদস্যদের নাম খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নির্ধারিত তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন। সেই মোতাবেক খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনী কার্যক্রম তফসিল অনুযায়ী পরিচালিত হতে থাকে।

আরো বলেন, রিট পিটিশনের ফলে হাইকোর্ট এক মাসের নির্বাচনী স্থগিতাদেশসহ চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন বোর্ডকে কারণ দর্শানোর জন্য রুল নিশি জারি করেন। ইতিমধ্যে বিধি বহির্ভূতভাবে অন্তর্ভুক্ত যাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় প্রকাশিত হয়নি তাদের কেউ কেউ, কোনো কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্ররোচণা ও প্রভাবে নির্বাচন বানচালের অসৎ উদ্দেশ্যে নির্বাচন আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এফবিসিসিআই’র আরবিটেশন বোর্ডে আপিল দাখিল করেন এবং একই সঙ্গে দাখিলকৃত রিট পিটিশনে পক্ষভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে রিট পিটিশনটি চূড়ান্ত শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে।

এম. বদরুল আনাম খান বলেন, নির্বাচনী স্থগিতাদেশের সময় অতিক্রান্ত হবার পর নির্বাচন বোর্ড গত ১১ আগস্ট নির্বাচনী সংশোধীত তফসিল প্রকাশ করেন। নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীগনের মনোয়নপত্রসমূহ চুড়ান্ত বাছাইকালে চার প্রার্থী ঋণখেলাপী হিসেবে চিহ্নিত হন এবং বিধি অনুযায়ী তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। কিন্তু গত ২০ আগস্ট নির্বাচন বোর্ড নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঐক্য পরিষষদ মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল হাসান অপু, ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম তুহিন, আবু সাঈদ শেখ প্রমুখ।

আইনি জটিলতায় খুলনা চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত

এদিকে হাইকোর্টে রিট পিটিশন মামলা বিচারাধীন থাকায় খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬-এর যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শাহীনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন (মামলা নম্বর: ৮৭৯১/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের সকল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার, চেম্বারের প্রশাসক এবং নির্বাচন আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

তালা এসি ল্যান্ড অফিসে প্রকাশ্যে ধূমপানের অভিযোগ নায়েব তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে 

ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত খুলনা চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের দাবি ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের

আপলোড সময় ০৭:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

স্থগিত হওয়া খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেম্বারের পরিচালক প্রার্থী (সাধারণ সদস্য শ্রেণী) এম. বদরুল আনাম খান বলেন, আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন, আইনগতভাবে বৈধ ও নির্মূল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অযাচিত ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল হাই মো. আনাসকে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে ১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিতান কুমার ম-ল নতুন প্রশাসক হিসেবে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ৪০০ সদস্যের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে নতুন প্রশাসকের কাছে সাধারণ ব্যবসায়ীবৃন্দ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এরপর মো. আরিফুল ইসলামকে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে একটি নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড গঠন করা হয়। গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য সংগঠন আইন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে নির্বাচন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তি ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়ন সময় সাপেক্ষ হওয়ায় নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচন স্থগিত করেন এবং পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন। এরপ গত ৩০ এপ্রিল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সাইদ মো. মঞ্জুর আলম খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ৫ মে মো. শাহীনুজ্জামান (পরিচালক- উপসচিব, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, খুলনা) কে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে একটি নতুন নির্বাচন বোর্ড গঠন করেন। নির্বাচন বোর্ড গত ২০ মে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিলে নির্ধারিত তারিখে অস্তিত্বহীন সদস্যসহ সকল নতুন সদস্যদের ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়; যা বাণিজ্য সংগঠন আইনে সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।

তিনি বলেন, প্রতিকারের উদ্দেশ্যে আমি হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করি। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ার শেখ শফিকুল ইসলাম তুহিন সহ ১৫ (পনের) জন সদস্য নির্বাচন আপিল বোর্ডে আবেদন করেন। নির্বাচনী আপিল বোর্ড এতদসংক্রান্ত বিধি-বিধান যাচাই এবং পর্যালোচনা করে নতুন সদস্যদের নাম খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নির্ধারিত তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন। সেই মোতাবেক খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনী কার্যক্রম তফসিল অনুযায়ী পরিচালিত হতে থাকে।

আরো বলেন, রিট পিটিশনের ফলে হাইকোর্ট এক মাসের নির্বাচনী স্থগিতাদেশসহ চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন বোর্ডকে কারণ দর্শানোর জন্য রুল নিশি জারি করেন। ইতিমধ্যে বিধি বহির্ভূতভাবে অন্তর্ভুক্ত যাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় প্রকাশিত হয়নি তাদের কেউ কেউ, কোনো কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্ররোচণা ও প্রভাবে নির্বাচন বানচালের অসৎ উদ্দেশ্যে নির্বাচন আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এফবিসিসিআই’র আরবিটেশন বোর্ডে আপিল দাখিল করেন এবং একই সঙ্গে দাখিলকৃত রিট পিটিশনে পক্ষভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে রিট পিটিশনটি চূড়ান্ত শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে।

এম. বদরুল আনাম খান বলেন, নির্বাচনী স্থগিতাদেশের সময় অতিক্রান্ত হবার পর নির্বাচন বোর্ড গত ১১ আগস্ট নির্বাচনী সংশোধীত তফসিল প্রকাশ করেন। নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীগনের মনোয়নপত্রসমূহ চুড়ান্ত বাছাইকালে চার প্রার্থী ঋণখেলাপী হিসেবে চিহ্নিত হন এবং বিধি অনুযায়ী তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। কিন্তু গত ২০ আগস্ট নির্বাচন বোর্ড নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঐক্য পরিষষদ মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল হাসান অপু, ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম তুহিন, আবু সাঈদ শেখ প্রমুখ।

আইনি জটিলতায় খুলনা চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত

এদিকে হাইকোর্টে রিট পিটিশন মামলা বিচারাধীন থাকায় খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬-এর যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শাহীনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন (মামলা নম্বর: ৮৭৯১/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের সকল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার, চেম্বারের প্রশাসক এবং নির্বাচন আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।