ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সুন্দরবনের জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার সুন্দরবনের জলদস্যু আলিফ বাহিনীর লুকিয়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ওয়াকিটকি ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার বহিরাগত দিয়ে সংবাদ সম্মেলন মানেই নিজেকে দোষী প্রমাণ করা: DRU-তে প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে হেনস্থা কন্যাশিশু দিবসে পীরগঞ্জ প্রশাসনের ‘দায়সারা আনুষ্ঠানিকতা’: জনমনে ক্ষোভ যশোর রেলগেটে মাদক সম্রাজ্ঞী লাইলীর নেতৃত্বে শত জনের রমরমা মাদক সিন্ডিকেট ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে আসছে মানব কণ্ঠের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মোস্তাকিম নিবিড়ের ‘পূর্ণতা’ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে ছবি প্রোফাইলে দিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ইজিবাইক নেতা আবু বক্করের বিরুদ্ধে আমেরিকা প্রবাসী হারুনুর রশিদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রূপগঞ্জে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান শিমু’র ২২তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

সুন্দরবনের জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

  • খুলনা অফিস
  • আপলোড সময় ১২:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • 9

সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর হাতে জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। গতকাল সোমবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে রবিবার দুপুরে দাকোপ উপজেলার শিপসা নদীর সুন্দরবনের আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জিম্মিদের রেখে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায় জলদস্যুরা। উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) ও ইমামুল মল্লিক (২২)। তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, গত শনিবার সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে জলদস্যু স¤্রাট বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণের জন্য ঐ চার জেলেকে ধরে নিয়ে জিম্মি করে। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নির্যাতনও করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাকোপের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় স¤্রাট বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করে কোস্টগার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান। পরে রবিবার দুপুর ২টার দিকে সেখানে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও জলদস্যুরা গহীন সুন্দরবনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনের বন ও জলদস্যু নির্মূল ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপারেশন ‘রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও অপারেশন ‘ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকা- বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনের জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর কবল থেকে ৪ জেলে উদ্ধার

আপলোড সময় ১২:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে জলদস্যু সম্রাট বাহিনীর হাতে জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। গতকাল সোমবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে রবিবার দুপুরে দাকোপ উপজেলার শিপসা নদীর সুন্দরবনের আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জিম্মিদের রেখে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায় জলদস্যুরা। উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) ও ইমামুল মল্লিক (২২)। তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, গত শনিবার সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে জলদস্যু স¤্রাট বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণের জন্য ঐ চার জেলেকে ধরে নিয়ে জিম্মি করে। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নির্যাতনও করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাকোপের শিপসা নদীর আরবানিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় স¤্রাট বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করে কোস্টগার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান। পরে রবিবার দুপুর ২টার দিকে সেখানে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও জলদস্যুরা গহীন সুন্দরবনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনের বন ও জলদস্যু নির্মূল ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপারেশন ‘রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও অপারেশন ‘ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলদস্যুদের অপরাধমূলক কর্মকা- বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে।