সাতক্ষীরা শ্যামনগর পাতাখালি গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মাহবুবুর নামে ১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তার পরিবার তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক । আহত ব্যক্তি শ্যামনগর পদ্মপুকুর ইউনিয়নে পাতাখালি গ্রামের মৃত মুছা গাজির ছেলে মাহবুবুর রহমান। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ ইং সেপ্টেম্বর ২৬ ইং তারিখে শুক্রবার বিকালে পশ্চিম পাতাখালি ছোট খালের ব্রীজের ধারে।
স্থায়ীয় সুত্রে জানা যায়, মাহবুবুর রহমানের রেকর্ডীয় সম্পত্তির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ভুমি দস্যু আমানুল্লাহ গং দীর্ঘদিন ধরে তার ১০ বিঘা জমির ঘের দখলের পাঁয়তারা করছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ আইনি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আদালতের মামলা চলমান রয়েছে।
প্রতিপক্ষ আদালতের আইনকে তোয়াক্কা না করে
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক পর্যায়ে আমজাদ গাজীর ছেলে আমানুল্লাহ, বাবলু, ময়না, ছিদ্দিক একই গ্রামের আবুবক্কর, আলী হোসেন, বাবুল আজাদ মোমিনুর সহ ১০/১২ জন আমানুল্লাহ,র নেতৃত্বে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে লাঠিসোটা নিয়ে মাহবুবের ওপর অতর্কিত হামলা করে।
হামলাকারীদের বেধড়ক মারপিটে ও এলোপাথাড়ি ভাবে আঘাতে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মৃত ভেবে সন্ত্রাসী আমানুল্লাহ গং সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আহত মাহবুবুর রহমানের মাথা, মুখমন্ডল সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোলা-জখম ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এবিষয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে সন্ত্রাসী আমানুল্লাহ গং দের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহবুবুর রহমান জানান, আমার জমির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমানুল্লাহ গং অবৈধ ভুতুড়ে কাগজপত্র নিয়ে জমি দাবি করে। এই জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে।
প্রতিপক্ষরা আমাদের একই এলাকার লোক হয়। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তারা হঠাৎ করে আমার উপরে আক্রমন করে। দীর্ঘদিন ধরে তারা আমাকে হত্যা করার চেষ্টা করে আসছে। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ন্যায় বিচার কামনা করছি।
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ঘটনায় প্রতিপক্ষের যোগাযোগ না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা অফিস 






















