ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ — রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র মতিঝিলে চিহ্নিত ‘জাহিদ বাহিনী’ ও তাদের নিয়ন্ত্রিত কিশোর গ্যাংয়ের লাগামহীন চাঁদাবাজি, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ ব্যবসায়ী সমাজ। থানায় জিডি করেও প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগে আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
অভিযোগ ও জিডির বিবরণ:
ভুক্তভোগী মোঃ শরিফুল ইসলাম মুন্না (২৯) গত ১৮/১০/২০২৬ তারিখে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নং: U6AN1H।
জিডি সূত্রে জানা যায়, শরীফ ম্যানশন, ৫৬/৫৭শরীফ ম্যানশন এর গলি মতিঝিলে ২০১০ সাল থেকে পরিচালিত তার ভাতের হোটেলে গত ৮ মে ২০২৬ অভিযুক্তরা ২ লক্ষ টাকা চাঁদা ও প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। দিতে অস্বীকার করায় তাকে হুমকি ও দোকানে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। জিডিতে অভিযুক্ত হিসেবে মোঃ জাহিদ হাসান (৩০) সহ শুভ মিয়া, ইমন, সজীব, আজমির, মাজেদ, রানা, পানি বাবু, সৈকত সহ ১৪-২০ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে।
দলীয় পদক্ষেপ:
অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কর্তৃক ২৩-০৫-২০২৬ তারিখে জাহিদ হাসান ও নুরুকে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পূর্ব কর্তৃক ২৪-০৫-২০২৬ তারিখে শুভ মিয়াকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট অভিযোগে বহিষ্কারাদেশ প্রদান করা হয়। উক্ত বহিষ্কারাদেশের কপি এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।
আইনগত ও সাংবাদিকতার অবস্থান:
এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইন, পিআইবি কর্তৃক প্রণীত সাংবাদিকতার নীতিমালা এবং তথ্য অধিকার আইনের আলোকে শুধুমাত্র ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ, থানার জিডি, দলীয় বহিষ্কারাদেশ এবং আজকের সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্যের ভিত্তিতে জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো।
উল্লেখিত অভিযোগসমূহ এখনো তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। আইনের চোখে অভিযুক্তরা নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ হিসেবে গণ্য হবেন। এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।
সংরক্ষিত নথি প্রসঙ্গে:
এই সংক্রান্ত বিএনপির অঙ্গ সংগঠন থেকে প্রদত্ত বহিষ্কারাদেশ / পদত্যাগ পত্রের কপি এবং মতিঝিল থানার জিডি (নং U6AN1H) এর কপি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া আজকের সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য, প্রেসক্রিপশন ও ছবি সহ অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজনে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা যাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী চাইলে যাচাই করে দেখতে পারবে।
আনিসুর রহমান মোল্লা 





















