ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার ঠাকুরগাঁওয়ে ধানক্ষেত থেকে তাঁতি দল নেতার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আমার কোনো দুর্নাম নেই, তারপরও ভাইরাল করা হচ্ছে—এটা মানহানিকর’: রাজারহাটের ইউএনও তানজিলা তাসনিম আইজিপির মন্তব্যের প্রতিবাদে তেজগাঁও প্রেসক্লাবের ক্ষোভ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তা বদলি যাত্রাবাড়ীতে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের মুঠোফোন নেওয়ার অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ধামরাই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার তোড়জোড়, আবদুল আলিমকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ: জবাবদিহির মুখে বিএনপি নেতা? পরকীয়া ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ ‎তালা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ১নারী কর্মীর স্ট্যান্ড রিলিজ : আদেশ বাতিল করতে টাকার ব্যাগ নিয়ে দৌড়ঝাপ নওগাঁয় শালিকাকে বিয়ের ঘটনায় আইনজীবী সহকারী মাসুদ রানাকে সেরেস্তা থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা সাতক্ষীরায় যৌতুকের  দাবিতে স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে হত্যার দায়ে আব্দুর রউফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: এ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম

পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে, সবই সৃষ্টিকর্তার পূর্বনির্ধারিত মহাপরিকল্পনার অংশ। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানও সেই মহাপরিকল্পনারই একটি অংশ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো একক ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও মহল নিজেদেরকে জুলাই-আগস্টের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দাবি করছেন। এটি ইতিহাসের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করার শামিল।”

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব যেমন দীর্ঘদিন ধরে একটি দল এককভাবে দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছে, তেমনি এখন একটি মহল চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের একার বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। এটি ইতিহাসের সঙ্গে সুবিচার নয়।”

তিনি আরও বলেন, সময়ের প্রয়োজন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষাপটেই জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, যা কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব বলেন, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দল-মত নির্বিশেষে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও নানা রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণ একসঙ্গে রাজপথে নেমেছিলেন।”

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের বাইরে দেশের অধিকাংশ মানুষ গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অসংখ্য পরিবার নানাভাবে সংহতি প্রকাশ ও সহযোগিতা করেছে। “তাদের এই অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না,” বলেন তিনি।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং জাতির সম্মিলিত সংগ্রামের দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

Tag :
About Author Information

Nirvik Sangbad

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: এ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম

আপলোড সময় ০৮:১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে, সবই সৃষ্টিকর্তার পূর্বনির্ধারিত মহাপরিকল্পনার অংশ। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানও সেই মহাপরিকল্পনারই একটি অংশ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো একক ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও মহল নিজেদেরকে জুলাই-আগস্টের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দাবি করছেন। এটি ইতিহাসের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করার শামিল।”

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব যেমন দীর্ঘদিন ধরে একটি দল এককভাবে দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছে, তেমনি এখন একটি মহল চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের একার বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। এটি ইতিহাসের সঙ্গে সুবিচার নয়।”

তিনি আরও বলেন, সময়ের প্রয়োজন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষাপটেই জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, যা কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব বলেন, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দল-মত নির্বিশেষে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও নানা রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণ একসঙ্গে রাজপথে নেমেছিলেন।”

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের বাইরে দেশের অধিকাংশ মানুষ গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অসংখ্য পরিবার নানাভাবে সংহতি প্রকাশ ও সহযোগিতা করেছে। “তাদের এই অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না,” বলেন তিনি।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং জাতির সম্মিলিত সংগ্রামের দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।