চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কালুরঘাটের নিচ থেকে ভান্ডার জুড়িস সড়ক পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই বালু ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। বালুবাহী ভারী ট্রাকের অবাধ চলাচলে সড়কটির বিভিন্ন অংশ এখন বেহাল হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর চট্টগ্রামজুড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি কালুরঘাট এলাকায় আবারও বালু উত্তোলন ও বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরফান ও মুন্না এদের মূল পেশা হচ্ছে ডাকাতি ডাকাতি মামলায় কয়েকবার আটক হয়েছিল স্থানীয় এক নেতার প্রভাব ও এমপির নাম ব্যবহার করে এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন এবং এমপি সহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা মোটা অংকের বাগ বাটোয়ারা হয় বলে অভিযোগ করেনবালুবাহী ট্রাক নিয়মিত চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। ধুলাবালি ও ভারী যানবাহনের কারণে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। পাশাপাশি এ সড়কে একাধিক দুর্ঘটনায় কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটেছে বলেও দাবি করেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এরশাদুল্লাহর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এগুলো আমার দেখার বিষয় নয়।” পরে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বালুবাহী ভারী ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া না হলে দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
এসএম জাফর আহমেদ 






















